ধানের শীষ-নৌকা নেই, তবু হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
ধানের শীষের ভোট দুই দিকেই আছে। নজর এখন নৌকার সমর্থকেরা কোন দিকে যাবে।
ধানের শীষের ভোট দুই দিকেই আছে। নজর এখন নৌকার সমর্থকেরা কোন দিকে যাবে।
সবার কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রত্যাশা করে ফজলুর রহমান বলেন, ‘যে কথাটা বাংলাদেশে সাহস করে কেউ বলে না, সেই কথাটা আমি সংসদে বলব।’
প্রার্থীরা প্রতিপক্ষকে মোকাবিলার পাশাপাশি দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন, বিভিন্ন জনকল্যাণমুখী কাজের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন, ভোটারদের কাছে ভোট চাইছেন, সবার কাছ থেকে দোয়া চাচ্ছেন।
অনেক আসনে বিদ্রোহীদের জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা যেমন আছে, তেমনি অনেক আসনে বিএনপির ভোট কাটাকাটির কারণে অন্য দল সুবিধা পেতে পারে।
ভোট দিতে চান অধিকাংশ ভোটার। ১০ আসন শরিকদের ছেড়ে দিয়েছে জামায়াত, একটি উন্মুক্ত। অর্থাৎ ৮ আসনে জামায়াতের দলীয় প্রার্থী রয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর হয়ে ভোট করছেন ১৬ জন। অন্য দুটি দলের প্রার্থী দুজন। মোট ১৮ জনের সবাই শিবিরের সভাপতি বা সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট বেশি পড়লে অন্তর্বর্তী সরকার আরও ছয় মাস ক্ষমতায় থাকবে—এমন দাবিকে ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে সরকার।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলেছে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি গণভোট বিষয়ে জনগণকে অবহিত ও সচেতন করতে পারবেন। তবে তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’–এর পক্ষে বা ‘না’–এর পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য জনগণকে কোনোভাবে আহ্বান জানাতে পারবেন না।
বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে সঠিক লোককে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মানুষ ‘বিশ্বাস’ থেকে ভোট দেন বলে উল্লেখ করেন তাসনিম জারা।
স্বতন্ত্র প্রার্থী বলেন, নির্বাচন হবে উৎসবমুখর, যাঁর যাঁকে পছন্দ হবে, সে তাঁর জন্য কাজ করবে, ভোট চাইবে। এমন হলে তা নির্বাচনের পরিবেশকে নষ্ট করবে।
ধামরাইয়ের ধানতারা বাজারে প্রচারণা শেষে এনসিপি প্রার্থী নাবিলা তাসনিদ গোমগ্রাম বাজারে প্রচারণা চালাতে যান। বাজারে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে ভোট চান তিনি।