ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ: সবচেয়ে বেশি মূল্য দিতে হবে বিশ্বের দরিদ্র মানুষকে
ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধের কারণে সবচেয়ে বেশি ভুগছে বিশ্বের দরিদ্র মানুষেরা।
ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধের কারণে সবচেয়ে বেশি ভুগছে বিশ্বের দরিদ্র মানুষেরা।
রয়টার্স/ইপসোস জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৬৬ শতাংশ নাগরিক ইরান যুদ্ধ থেকে দ্রুত সরে আসার পক্ষে। ৬০ শতাংশ সামরিক অভিযানের বিরোধী। যুদ্ধের ফলে জ্বালানির দাম বেড়ে অর্থনীতিতে ধাক্কা লেগেছে।
ইরান মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন ‘প্রতিরোধ সমীকরণ’ তৈরি করতে চাইছে। সেই অনুযায়ী, লেবাননের যেকোনো জায়গায় ইসরায়েল হামলা চালালে ইরান সরাসরি তার ওপর পাল্টা আঘাত হানবে।
যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার বৈঠকের জন্য জোর চেষ্টা চলছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গতকাল শনিবার সকালে ইরানে হামলা শুরু করে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক নিয়ে ভিন্নমত জানিয়েই আলোচনা এগিয়ে নিতে বলেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। অন্যদিকে বাঘের গালিবাফ আলোচনার সময় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নিজের হাতে চাইছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আগমনের ৬ দিন পর, ২০ মে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে চীনে স্বাগত জানান। চীন ও রাশিয়ার মধ্যে ২০টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে হলে ইরানকে সেটি পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে হবে।
অধিকাংশ ধর্মপ্রাণ খ্রিষ্টানের কাছে ধর্মকে বিকৃত করে যুদ্ধ, ধ্বংস আর বিভাজনের হাতিয়ার বানানো গভীরভাবে বেদনাদায়ক
হরমুজ প্রণালী সচল রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। জাতিসংঘে প্রস্তাব তুলে সামরিক সহায়তার পথ খুঁজছে আমিরাত। উপসাগরীয় দেশগুলো যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
তুরস্ক, সৌদি আরব, মিসর ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা গত বৃহস্পতিবার রিয়াদে এক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন।
তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ২০০ ডলারে পৌঁছানোর আশঙ্কা কম।