
দুই বিদ্রোহীতে বিএনপির ভোট তিন ভাগ হওয়ার শঙ্কা, সুবিধা নিতে চায় জামায়াত
রাজশাহী-৫ আসনে মোট সাতজন প্রার্থী রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। এই তিনজনের দুজনই বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী।

রাজশাহী-৫ আসনে মোট সাতজন প্রার্থী রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। এই তিনজনের দুজনই বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর পর থেকেই ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন এই আসনের প্রার্থী ও তাঁদের নেতা–কর্মীরা। প্রার্থীরা শুনছেন ভোটারদের নানা সমস্যা আর সংকটের কথা, সুযোগ পেলে সমাধানে কাজ করার আশ্বাসও দিচ্ছেন তাঁরা।

২২ জানুয়ারি সিলেট থেকে প্রচার শুরু করেন বিএনপির চেয়ারম্যান। গতকাল খুলনা ও যশোরে জনসভায় ভাষণ দেন।

অভিযোগের বিষয়ে মীর শাহে আলম বলছেন, নির্বাচনী প্রচার যখন তুঙ্গে তখন পরাজয় নিশ্চিত জেনে জামায়াত প্রার্থী ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে মাঠ ছাড়ার কৌশল খুঁজছেন।

নারায়ণগঞ্জ–৪ আসনটি বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী জোটের প্রার্থীদের জন্য ছেড়ে দিয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন ১৩ জন প্রার্থী।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘পরিবারতন্ত্র ভাঙতে হলে ১২ ফেব্রুয়ারি আমাদের সকলকে বাংলাদেশের এক নম্বর আসনে শাপলা কলিকে বিজয়ী করে আনতে হবে।’

জামায়াতে ইসলামীর নামে মিথ্যা বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ ভাষায় আক্রমণ চালানো হচ্ছে দাবি করেন গোলাম পরওয়ার।

শিশির মনির বলেন, ‘আমি নিজে স্বাক্ষর করে চিঠি দিয়েছি। আমি মনে করি, তাঁরা সমাবেশে উপস্থিত থেকে নিজেদের পরিকল্পনা, দিরাই-শাল্লার জন্য তাঁরা কী করতে চান, সেটি তুলে ধরবেন।’

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার বিশ্বাস, সবার সহযোগিতায় এবারের নির্বাচন খুব শান্তিপূর্ণ হবে। নির্বাচনে প্রশাসন ও সরকারি বাহিনী সবাই নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে। এতে কোনো সন্দেহ নেই।

মামুনুল হক বলেন, ‘কেউ ভালোবাসা দিলে আমরা ভালোবাসা দিই, কিন্তু কেউ যদি আমাদের পথে কাঁটা বিছিয়ে দেয়, সেই কাঁটা উপড়ে ফেলার সক্ষমতা আমাদের আছে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীদের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণার অভিযোগে সরাইল উপজেলা যুবদল ও শ্রমিক দলের ১১ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত ঢাকা–১ আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণায় জমে উঠেছে নির্বাচনী পরিবেশ।