ইরানে ট্রাম্পের ‘মাদুরো মডেল’ যে বিপদ ডেকে আনতে পারে
মাদুরোর মতো খামেনির পরিণতি হতে পারে, এ ধারণা গভীরভাবে ত্রুটিপূর্ণ, এমনকি বিপজ্জনকও।
মাদুরোর মতো খামেনির পরিণতি হতে পারে, এ ধারণা গভীরভাবে ত্রুটিপূর্ণ, এমনকি বিপজ্জনকও।
অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া এই ক্ষোভ দ্রুতই রাজনৈতিক অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ৮ জানুয়ারি দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পরই কড়াকড়ি আরোপ করে সরকার।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবে ইরানে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির ৪০ বছরের শাসনের পতন ঘটে। তখন তাঁর বড় ছেলে রেজা পাহলভির বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর। তেলসমৃদ্ধ হাজার বছরের পুরোনো সেই সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকারী হিসেবে তিনিই ছিলেন প্রথম সারিতে। নিজের ‘জন্মগত অধিকার’ হারানোর প্রায় অর্ধশতাব্দী পর ৬৫ বছর বয়সে এসে পাহলভির অপেক্ষার প্রহর হয়তো শেষ হতে চলেছে।
প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা এই বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ইরানে হামলার হুমকিও দিয়েছেন।
ইরানে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের স্বঘোষিত ‘যুবরাজ’ রেজা পাহলভির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন।
ইরানের প্রেসিডেন্ট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন।
ইরানে সহিংস বিক্ষোভ চলছেই। অর্থনৈতিক সংকটে ধুঁকতে থাকা দেশটির বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভে নেমেছেন লোকজন।
মা-বা এবং বয়স্ক স্বজনদের সঙ্গে ছোট শিশুদেরও বিক্ষোভে শামিল হতে দেখা গেছে।
নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা ইরানকে তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শিল্প পুনর্গঠন করতে দেব না। আর অবশ্যই তাদের পরমাণু কর্মসূচি আবার শুরু করতে দেব না, যেটির ব্যাপক ক্ষতি আমরা করেছি।
ইরানের বিভিন্ন শহরে ২৮ ডিসেম্বর থেকে বিক্ষোভ চলছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান সমর্থিত সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। আঞ্চলিক জলসীমায় চলাচলকারী বেসামরিক নাবিক এবং বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য ইরানের তৈরি করা নিরাপত্তা হুমকি নস্যাৎ করাই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ব