শামা ওবায়েদ-নায়াব ইউসুফসহ তিনটি আসনে বিএনপি, একটিতে জামায়াত জয়ী
ফরিদপুরের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতে বিএনপি ও একটিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। ভোট গণনা শেষে গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
ফরিদপুরের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতে বিএনপি ও একটিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। ভোট গণনা শেষে গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ১১–দলীয় ঐক্যের প্রার্থী মামুনুল হকের চেয়ে ২ হাজার ৩২০ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি।
জামায়াতে ইসলামীর নেতা সৈয়দ জয়নুল আবেদীন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মোট ৭৭ হাজার ৩৬৭ ভোট পেয়েছেন।
বগুড়া-৭ আসনে (গাবতলী ও শাজাহানপুর) জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মোরশেদ মিল্টন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৬২ হাজার ৫০১ ভোট।
তাঁর নিকটবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৯২৭ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি–সমর্থিত প্রার্থী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি ৯৫ হাজার ৩৪২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ১ লাখ ২০ হাজার ৯৬১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন বিএনপির প্রার্থী মো. লুৎফুজ্জামান বাবর।
ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ। ধানের শীষের প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৫৭৭ ভোট।
উৎসবের আমেজে হয়ে গেল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণ। ভোটের মাঠে তেমন অস্থিরতা ছিল না, তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক আগের মতোই অস্থির ছিল নানা অপতথ্যে।
১৭ বছর পর ভোট দিতে পেরে উচ্ছ্বাসে পুরান ঢাকা। কেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি ও উৎসবমুখর নির্বাচনী পরিবেশ।
এসব ভোটকেন্দ্রের ভোট স্থগিত করা এবং কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে জামায়াত।
সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনের সড়কের এক পাশে অবস্থিত রাজধানী উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই অভিযোগ করেন।