মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মোট আসামি ৪৫৭ জন, গ্রেপ্তার ১৬১
আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গুম ও খুন এবং জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ।
আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গুম ও খুন এবং জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় ছয়জনকে হত্যাসহ সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২৬ জানুয়ারি রায় দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
২৫ জানুয়ারি ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ–২০২৬’ শিরোনামে ২০২৪–এর গণ-অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন একই সঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান–সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে গণভোটও হবে।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড পাওয়া আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে আপিল করেছে প্রসিকিউশন।
দেশের ৪০ শতাংশ মানুষ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোট সম্পর্কে সচেতন। আর ৩০ শতাংশ মানুষ বিশ্বাস করেন জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়িত হবে।
আজ মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার বরাবর এই স্মারকলিপি দেওয়া হয়। স্মারকলিপিতে জুলাই শহীদ পরিবারের আট সদস্য সই করেন।
জুলাই অভ্যুত্থানের আগে ও পরের বাংলাদেশে জননিরাপত্তা একটি বড় হুমকি হয়েই রয়েছে বলে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক রওনক জাহানের পর্যবেক্ষণ। তাঁর মতে, আগে ছিল ভয়ের পরিবেশ। গণ–অভ্যুত্থানে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরে এখন ভয়ের সঙ্গে অসহিষ্ণু পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
আনু মুহাম্মদ বলেছেন, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের ঘটনায় পাইকারিভাবে ইনডেমনিটি দিলে তো হবে না। ঘটনার সুনির্দিষ্ট তদন্ত প্রয়োজন।
২০২৪ সালের জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের পরবর্তী একটা সময়ে প্রশ্ন উঠেছিল, ‘জুলাইয়ের নারী যোদ্ধারা কোথায়?’
‘জুলাই যোদ্ধাদের’ দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দিতে অধ্যাদেশ করার উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। অধ্যাদেশের খসড়া তৈরি করতে আইন মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হবে আগামী বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি। একই দিনে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোটও হবে।