চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ৮
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের ফাজিলখাঁর হাট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের ফাজিলখাঁর হাট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের ১০৭টি কেন্দ্রের ভোট পড়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১২০। এটি মোট ভোটার সংখ্যার প্রায় ৫৮ শতাংশ। এ আসনে বিএনপির নুরুল আমিন ৯৯টি কেন্দ্রে জিতে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান জয় পেয়েছেন ৮টি কেন্দ্রে। এর মধ্যে একটি পোস্টাল ভোটকেন্দ্র।
আজ বৃহস্পতিবার ভোরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে শফিকুর রহমান এ কথা বলেন।
সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণকে কেন্দ্র করে তৈরি হলো প্রথম জটিলতা। বিএনপি আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিল, সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে এ ধরনের শপথের উল্লেখ নেই।.
চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় একটি খামার থেকে ৪০টি ছাগল লুট হয়েছে। খামারির অভিযোগ, গতকাল মঙ্গলবার রাতে খামারের এক কর্মচারীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে কয়েকজন দুর্বৃত্ত এসব ছাগল লুট করেছেন। উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের মধ্যম ওয়াহেদপুরের নিজামপুর রেলস্টেশন–সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বিএনপি সংস্কার পরিষদের শপথ না নিয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে উপেক্ষা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
আজ বেলা পৌনে ১১টার কিছু আগে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন বিএনপির নির্বাচিতরা।
সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে যদি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হয়, তাহলে আরেকটি জুলাই তৈরি হবে।
এবার আওয়ামী লীগবিহীন ভোটে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর পাশাপাশি নিজ দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসন পুনরুদ্ধার করেছেন ধানের শীষের প্রার্থীরা।
রাজধানীর ১৫টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৭টিতে জয়ী হয়েছেন জামায়াত জোটের প্রার্থীরা।
শুধু চট্টগ্রাম-৮ নয়, চট্টগ্রামের ১৪টি আসনে প্রদত্ত ভোটের প্রায় ৫৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা পেয়েছেন ৩১ শতাংশ ভোট।
ইসলামপন্থীরা সবচেয়ে কম আসন পায় ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে। ২০১৪ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন দুটি ইসলামপন্থী বড় দলগুলো বর্জন করে।