ইরানের সঙ্গে চুক্তির ব্যাপারে আশাবাদী ট্রাম্প
ইরানের বিক্ষোভকে দেশটির সরকার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের উসকানি হিসেবে দেখছে।
ইরানের বিক্ষোভকে দেশটির সরকার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের উসকানি হিসেবে দেখছে।
‘বিদেশি সরকার কিংবা আন্তর্জাতিক চাপের কাছে আমরা মাথা নত করব না’—১৯৫১ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দাঁড়িয়ে এই সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছিলেন ইরানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক। সাত দশকের বেশি সময় পেরিয়ে আজ, যখন একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরির বহর ভারত মহাসাগরে প্রবেশ করছে এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে মিসাইলবাহী জাহাজ, তখন মোসাদ্দেকের সেই কথা ইতিহাসের উদ্ধৃতি নয়, বরং চলমান বাস্তবতার ভাষ্য বলে মনে হয়।
ইরানে অভিযানের প্রয়োজন পড়বে না: ট্রাম্পের আশা
রুশ প্রতিষ্ঠান ‘রোসাটম’-এর প্রধান আলেক্সি লিখাচেভ বলেন, প্রয়োজন পড়লে ইরানের বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে তাদের কর্মীদের সরিয়ে নিতে মস্কো পুরোপুরি প্রস্তুত।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনার মধ্যে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান তুরস্কে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এবং সিরিয়াবিষয়ক বিশেষ দূতের সঙ্গে কথা বলেছেন।
ইসরায়েলের যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তাঁর মোবাইল ফোনের পেছনের ক্যামেরায় লাল রঙের টেপ লাগিয়ে রেখেছেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন বেশ কিছু ছবি ভাইরাল হয়েছে।
হুমকির জবাবে ইরান বলল ‘আঙুল ট্রিগারে’
ইরান সরকারের পতন ঘটানোর লক্ষ্যেই এ বিশাল সামরিক শক্তি জড়ো করা হচ্ছে।
বিশ্বে প্রথমবারের মতো সোনায় মোড়ানো সড়ক তৈরি করতে যাচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
ইরানের রাজপথের বিক্ষোভ এখন স্তিমিত। হাজার হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই অস্থিরতায় সমর্থন দেওয়ার অভিযোগে অনেকের ব্যবসায়িক সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে
১৯৫৩ সালের আদি পাপ ওয়াশিংটনকে শিখিয়েছিল টাকা দিয়ে রাজপথ কেনা যায় এবং নেতৃত্ব সরানো যায়। দীর্ঘমেয়াদি ফলের কথা কেউ ভাবেনি। আজ সেই বুমেরাং ফিরে আসছে ধারালো হয়ে।
হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহ এসডিএফকে সঠিকভাবেই সতর্ক করেছিলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র কখন, কাকে বিক্রি করে দেবে—আপনি তা জানেন না।’