আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বকাপজয়ী স্পেন ফুটবল দলকে বড় সম্মাননা দিল দেশটির সরকার
আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের পর পুরুষ ও নারী উভয় ফুটবল দলকেই সম্মানজনক ‘অর্ডার অব সিভিল মেরিট’ পুরস্কার দিচ্ছে স্পেন সরকার।
আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের পর পুরুষ ও নারী উভয় ফুটবল দলকেই সম্মানজনক ‘অর্ডার অব সিভিল মেরিট’ পুরস্কার দিচ্ছে স্পেন সরকার।
বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফেরান তোরেসের গোলে জিতেছে স্পেন। একটি মুহূর্ত পাল্টে দিল তোরেসের ক্যারিয়ার।
ফাইনালের দুই দিন আগে নিউইয়র্কের ‘ফ্যানাটিকস ফেস্টে’ লিওনেল মেসি, রদ্রি, দুই দলের কোচসহ ছিলেন আরও অনেক সেলিব্রিটি।
মাঠে স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার আগে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হতে হয়েছিল রোনালদোর।
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব বোর্নমাউথের হয়ে সদ্য সমাপ্ত মৌসুমে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন সেন্টার ব্যাক পজিশনে খেলা সেনেসি।
বিশ্বকাপ ফাইনালের পর আর্জেন্টিনা থেকে ছড়িয়ে পড়েছে একের পর এক ষড়যন্ত্রতত্ত্ব। হাজার হাজার নিবেদিতপ্রাণ সমর্থক সেগুলো বিশ্বাস করছেন।
অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাস বলছে, আগামী ১৯ জুলাই বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনকে কাঁদিয়ে শিরোপা উঁচিয়ে ধরবে ফ্রান্স।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, বিশ্বকাপ নিয়ে ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ কিন্তু কম নয়।
১৯৯৪ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ। জুলাই মাসের এক ভোর। টাইব্রেকারের শেষ শটটি জালে জড়াতেই হৃদপুর বন্দরের রাস্তায় নেমেছিল ব্রাজিল ফুটবল উৎসব। মিছিলটা বেরিয়েছিল তৈবরদার বাড়ির সামনে থেকে। সামনে তবারক কাকু। পরনে ক্যানারি হলুদ জার্সি। হাঁটু পর্যন্ত হাফপ্যান্ট। পায়ে ফুটবল বুট। দুই হাতে বুকের কাছে আগলে রাখা একটি ফুটবল। দেখে মনে হচ্ছিল, বিশ্বকাপটা রোমারিও নয়, তিনিই জিতে ফিরেছেন।
বিশ্বকাপ মানে তো শুধু মাঠের লড়াই নয়; এর আশপাশে জড়িয়ে থাকা অসংখ্য গল্পের কোলাজ।
বিশ্বকাপ মানে তো শুধু মাঠের লড়াই নয়; এর আশপাশে জড়িয়ে থাকা অসংখ্য গল্পের কোলাজ। যে গল্পের কোনোটিতে ঐতিহাসিক বিতর্ক আছে, আছে রোমাঞ্চ কিংবা অজানা চমক। বিশ্বকাপের তেমন কিছু গল্প নিয়ে এ আয়োজন—
কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনের ফুটবল বিশ্বকাপ এখন নকআউট পর্বে। শুরুতে অনেক আশঙ্কা ছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে বোঝা যাচ্ছে, বিশ্বকাপটি সফলই হচ্ছে।