
ইরানের অনুমতি নিয়ে হরমুজ প্রণালি পেরোল ভারতগামী দুটি জাহাজ
ইরানের বিশেষ অনুমতি নিয়ে হরমুজ প্রণালি পার হয়েছে এলপিজিবাহী দুই ভারতীয় জাহাজ।

ইরানের বিশেষ অনুমতি নিয়ে হরমুজ প্রণালি পার হয়েছে এলপিজিবাহী দুই ভারতীয় জাহাজ।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা হয়েছে।

গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম লাফিয়ে ১২০ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে।

বিশ্বের মোট জ্বালানির এক–ষষ্ঠাংশ এবং এলএনজির এক–তৃতীয়াংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়ে থাকে।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ইরানের সঙ্গে আলোচনা করছে চীন।

বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যে কোনো পণ্য যাচ্ছে না। আটকা পড়েছে সহস্রাধিক কনটেইনার। আমদানি-রপ্তানিতে অচলাবস্থা।

বিএসসির জাহাজ ছাড়াও হরমুজ প্রণালির আশপাশের বন্দরগামী বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের আরও তিনটি জাহাজ আরব সাগরে ভাসছে।

ব্যবসায়ী ও জ্বালানি খাত–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে সরবরাহব্যবস্থায় চাপ পড়তে পারে।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বে সমুদ্রপথের প্রায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ জ্বালানি তেল ও এলএনজি পরিবাহিত হয়।

ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো হামলার প্রতিশোধ হিসেবে তেহরান বহু বছর ধরে এই সরু জলপথ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিল।

শুধু ইরানের তেল সরবরাহই যদি ব্যাহত হয়, তাহলে অপরিশোধিত তেলের দাম ৯ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।