
আইনি বৈষম্য কমাতে জোর পদক্ষেপ চাই
নারী ও পুরুষের সমতার বিশ্ব গড়ার পথে একটি বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়ে আছে বৈষম্যমূলক আইন। দুঃখজনক হলেও সত্যি, একবিংশ শতকের দ্বিতীয় দশকে এসেও বিশ্বের কোনো দেশই আইনের নিরিখে নারী ও পুরুষের মধ্যকার বৈষম্য দূর করতে পারেনি।

নারী ও পুরুষের সমতার বিশ্ব গড়ার পথে একটি বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়ে আছে বৈষম্যমূলক আইন। দুঃখজনক হলেও সত্যি, একবিংশ শতকের দ্বিতীয় দশকে এসেও বিশ্বের কোনো দেশই আইনের নিরিখে নারী ও পুরুষের মধ্যকার বৈষম্য দূর করতে পারেনি।

ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও জাটকা রক্ষায় ১ মার্চ থেকে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাসের সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলছে।

সরকারের এই সিদ্ধান্তের একটি মানবিক দিকও রয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টার ভাষ্যমতে, ঋণের দায় থেকে মুক্তি পাওয়ায় প্রান্তিক পরিবারগুলো এখন বাড়তি অর্থ সন্তানদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করতে পারবে।

জনপ্রতিনিধির ভূমিকা হওয়া উচিত ছিল পরিবারকে আনুষ্ঠানিক আইনি প্রক্রিয়ায় যেতে সহায়তা করা। কিন্তু অনানুষ্ঠানিক সালিসের যে প্রবণতা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে, তা অনেক সময় ভুক্তভোগীকেই আরও ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেয়।

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে আকস্মিক পরিবর্তন দেশের আর্থিক খাত নিয়ে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

ভাষা আন্দোলনের পথ ধরেই আমাদের স্বাধিকার সংগ্রাম বেগবান হয়েছিল এবং ১৯৭১ সালে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটেছিল।

তারা বিদেশে সাফল্যের গল্প শোনায়, আত্মীয়স্বজনের আর্থিক উন্নতির উদাহরণ তুলে ধরে, দ্রুত আয় ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি দেয়। বাস্তবে তাদের পরিকল্পনা থাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা ও উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠকে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলার উন্নতিসহ তিন অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয়েছে।

দুর্গম চর কিংবা পার্বত্য অঞ্চল—দেশের প্রান্তিক এলাকাগুলো বরাবরই নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। স্বাস্থ্য বা শিক্ষার সুযোগ কম থাকায় এসব এলাকার মানুষ আরও বেশি পিছিয়ে থাকে।

এমন পরিস্থিতিতে অনেক ক্ষেত্রেই সরকারি দলের কর্তৃত্ববাদী হয়ে ওঠার ঝুঁকি তৈরি হয়। আমরা আশা করব, শুরু থেকেই বিএনপি এই ঝুঁকির ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে।

হাসপাতালের সামনে হর্নের বিকট শব্দ কোনো অসুস্থ মানুষের জন্য কেবল বিরক্তির নয়, কখনো কখনো শারীরিক যন্ত্রণার কারণও হয়ে দাঁড়ায়।

নির্বাচন কমিশন এবং সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবশ্যই নির্বাচনকেন্দ্রিক যেকোনো সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিতে হবে।