
চুক্তির ১৪ দফা প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্র, তেহরান-ওয়াশিংটনের কে বেশি সুবিধা পেল
ইরানের সঙ্গে সই হওয়া ১৪ দফার সমঝোতা স্মারকের পূর্ণাঙ্গ নথি প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইরানের সঙ্গে সই হওয়া ১৪ দফার সমঝোতা স্মারকের পূর্ণাঙ্গ নথি প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

সমঝোতা স্মারকে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে (রণাঙ্গনে) লড়াই বন্ধের কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে আলোচনা চলাকালে ইরানকে তেল বিক্রির সুযোগ দেওয়ার কথাও রয়েছে।

বরং ইরানই এই যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যের নতুন ভূরাজনীতিতে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।

লেবাননে ক্রমবর্ধমান হামলা চালানোর জন্য ট্রাম্প ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তিচুক্তির ঘোষণা ইসরায়েল মোটেও সহজভাবে নেবে না।

যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের মধ্যে আজ রোববার প্রাথমিক চুক্তি সই হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছিল।

২ মার্চ থেকে ইসরায়েলের হামলায় লেবাননে ৩ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

আগের মতো এখন আর হিজবুল্লাহ বৃহৎ পরিসরে যোদ্ধা মোতায়েনকে অগ্রাধিকার দেয় না। বরং তারা তাদের অধিকাংশ বাহিনী—বিশেষ করে পদাতিক ও অ-বিশেষায়িত ইউনিটগুলোকে—রিজার্ভ হিসেবে ধরে রাখতে পছন্দ করে। এর মাধ্যমে একদিকে নিজেদের ক্ষয়ক্ষতি কমানো যায়, অন্যদিকে শত্রুর গভীর অভ্যন্তরে আরও কার্যকর আঘাত হানার সুযোগ তৈরি হয়।

লেবাননে ইসরায়েলের হামলাকে কেন্দ্রকে করে আবারও মুখোমুখি ইরান ও ইসরায়েল। ট্রাম্পের আহবানকেও তোয়াক্কা করছেন না নেতানিয়াহু। মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত।

ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে ইরান আকাশসীমা বন্ধ করেছে, সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে।

ইরান থেকে ইসরায়েল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ।

ঋণ করে লেবাননে গিয়েছিলেন সাতক্ষীরার শফিকুল ইসলাম ও নাহিদুল ইসলাম। পরিবারের সচ্ছলতার স্বপ্ন নিয়ে বিদেশযাত্রা করা দুই প্রবাসী ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত হন। চার সপ্তাহ পর তাঁদের মরদেহ গ্রামে পৌঁছালে স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।