‘ফ্যামিলি কার্ডের গণতন্ত্র’ দেখলেও পরিণতি বদলাবে না: মামুনুল হক
১১–দলীয় ঐক্যের আয়োজনে রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় সেমিনারে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকের বক্তব্য এবং রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে আখতার হোসেনের অভিযোগ তুলে ধরা হয়।
১১–দলীয় ঐক্যের আয়োজনে রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় সেমিনারে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকের বক্তব্য এবং রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে আখতার হোসেনের অভিযোগ তুলে ধরা হয়।
রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম বলেছেন, জনগণের গণভোটের সংস্কারের আদেশ অগ্রাহ্য করে নতুন সংসদ ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র দিবসে প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় তিনি সরকারকে সতর্ক করেন, সংস্কার না করলে অভ্যুত্থান চলবে এবং সরকার পতন হতে পারে।
রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিরঙ্কুশ ক্ষমতা কমিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য বা চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স প্রতিষ্ঠা করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে মাসব্যাপী চলছে রাষ্ট্র সংস্কার, নির্বাচনব্যবস্থা, সংবিধান ও শাসনব্যবস্থা নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা সভা। কিন্তু একটি বিষয় তুলনামূলকভাবে কম আলোচনায় এসেছে—উচ্চশিক্ষা। আমাদের ক্যাম্পাসগুলো জুলাইয়ের প্রাণকেন্দ্র ছিল এবং থাকবে। কিন্তু তার চেয়ে বড় বাস্তবতা হলো দীর্ঘ মেয়াদে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অন্য যেকোনো প্রতিষ্ঠানের চেয়ে কম নয়।
রাষ্ট্র সংস্কার বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে জনগণ আবারও পঙ্গপালের মতো সংসদ ভবন ঘেরাও করবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় এনসিপি আয়োজিত এক পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি। পথসভায় সরকারকে হুঁশিয
১০ মে ২০২৬ তারিখে মুক্তকণ্ঠতে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক অধ্যাপক আলী রীয়াজ জুলাই জাতীয় সনদ, গণভোট ও রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে তাঁর অবস্থান তুলে ধরেছেন।
সংসদ নির্বাচন, নির্বাচনে জোট গঠনসহ বিভিন্ন বিষয়ে মুক্তকণ্ঠর সঙ্গে কথা বলেছেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম।
রাষ্ট্র ও সমাজের সমস্যা হিসেবে ধর্ষণকে চিহ্নিত করার দাবি জানিয়েছে ধর্ষণ আইন সংস্কার জোট।
সম্মেলনের ডাক: ‘সংস্কার বা জোড়াতালি নয়, শ্রমিক-কৃষক জনগণের হাতে ক্ষমতা চাই, জনগণের সরকার সংবিধান রাষ্ট্র চাই।’
২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য অর্জনে অর্থনৈতিক সংস্কার, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং টেকসই উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেছেন ড. মোহন কুমার।
অন্তর্বর্তী সরকারকে ইঙ্গিত করে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, তারা নির্বাচিত সরকার ছিল না। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য তাদের সক্ষমতার ঘাটতি ছিল, ছিল সমন্বয়ের অভাব। তাদের স্পষ্ট কোনো অর্থনৈতিক ভিশনও ছিল না।
কুমিল্লা–৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ সংস্কার থেকে পিছিয়ে গেলে চব্বিশের মতো আরেক অভ্যুত্থানের প্রস্তুতি শুরু হবে বলে সতর্ক করেছেন। রাজধানীর এক নাগরিক সংলাপে তিনি বিচার বিভাগ ও মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা, রাষ্ট্র সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কথা বলেন। অন্যান্য বক্তা রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি তুলে ধরেন।