আরাগচি ও গালিবাফকে ‘হত্যার তালিকা’ থেকে বাদ দিল ইসরায়েল
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ বন্ধ করতে পাকিস্তান, মিসর ও তুরস্ক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ বন্ধ করতে পাকিস্তান, মিসর ও তুরস্ক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে।
হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায়ের বিরোধিতায় যুক্তরাষ্ট্র ও চীন একমত হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরান হামলার পর তেহরান এই জলপথ বন্ধ করে দিয়েছে। ট্রাম্প-সি চিন পিংয়ের বৈঠকে এই বিষয় আলোচিত হবে।
ইরানের সরকার সহজে ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা কম। এটি একটি বিস্তৃত ও শক্ত প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে আছে।
২৩ মার্চ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সমঝোতার কিছু ‘প্রধান বিষয়ে’ একমত হয়েছে।
যুদ্ধ বন্ধে একটি শান্তিচুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। এই চুক্তিতে যে ১৪ বিষয় থাকছে, তার বিস্তারিত প্রকাশ করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম।
ইসরায়েলের বোমাবর্ষণ কি ইরানে ধর্মতান্ত্রিক শাসনের অবসান ঘটাতে পারবে? ইতিহাস দেখায়, বোমা ফেলে জনগণ শাসকের বিরুদ্ধে নয়, বরং বাহ্যিক শত্রুর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়। তেহরানের মানুষও একই স্থৈর্য দেখাচ্ছে।
ইরানের খারগ দ্বীপ দখলের সম্ভাবনা মার্কিন জোটের মিত্রদের শর্তসাপেক্ষ অবস্থানকে প্রকাশ করছে। তেল সরবরাহের ঝুঁকি ও অর্থনৈতিক প্রভাব জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসনের সামনে এই চ্যালেঞ্জ গুরুতর।
এ পর্যন্ত ইরানে ৩২ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
ইরাক সফরে গিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী আগামী ৩০ দিন হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে তেহরানের একক নিয়ন্ত্রণেই থাকবে।
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে টানাপোড়েনের মধ্যে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।
মার্কিন নীতিনির্ধারকদের ধারণা, নতুন করে ভয়াবহ হামলার পর ইরান নমনীয় হতে বাধ্য হবে। পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনার টেবিলে আসতে আগ্রহী হবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধের সময়টায় সর্বোচ্চ নেতার চিরচেনা ভূমিকায় বড় পরিবর্তন এসেছে।