
চট্টগ্রামের দুই আসনে ধানের শীষের বিরুদ্ধে লড়বেন বিএনপির তিন বিদ্রোহী
চট্টগ্রামের দুই আসনে বিএনপির তিন বিদ্রোহী

চট্টগ্রামের দুই আসনে বিএনপির তিন বিদ্রোহী

নওগাঁর তিনটি আসনে বিএনপির তিন ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় ভোটের মাঠে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার পর নওগাঁর এই তিন আসন এখন জেলাজুড়ে আলোচনায়।

শুরুতে ১১৭ আসনে বিএনপির ১৯০ জনের মতো দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে প্রার্থী হয়েছিলেন। তাঁদের কারও কারও মনোনয়নপত্র বাছাইপর্বে বাতিল হয়েছে। গতকাল অনেকে প্রত্যাহারও করেছেন।

৭৯ আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ ৯২ জন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে নোয়াখালীর দুটি সংসদীয় আসনে বিএনপির তিন ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী সক্রিয় হয়ে উঠেছেন।

পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের নির্বাচনী এলাকায় গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা বিএনপির বিদ্যমান দুটি কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।

ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনে দলের বিরুদ্ধে গিয়ে প্রার্থী হওয়ার পর থেকে নানাভাবে হুমকি পাওয়ার অভিযোগ করেছেন উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সালমান ওমর। তবে বিএনপির প্রার্থী এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী সালমান ওমরের এক কর্মীকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার ঘটনায় নেতৃত্ব দেন স্থানীয় দুই ব্যক্তি।

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচনে নানা হিসাব কষে প্যানেল দেওয়ার চেষ্টা করেছে ছাত্রদল।

আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী দলের যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সালমান ওমর।

খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ সমীরণ দেওয়ান। নির্বাচন কমিশনে আপিল করে গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি প্রার্থিতা ফিরে পান। এর আগে প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে তাঁর প্রার্থিতা বাতিল করেছিল নির্বাচন কমিশন।

মাদারীপুর-১ আসনে বিএনপির দুই বিদ্রোহী প্রার্থীর বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে ব্যবস্থা নিতে দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে চিঠি দিয়েছেন ওই আসনে বিএনপির প্রার্থী নাদিরা আক্তার।