এলডিসি উত্তরণ ও বাণিজ্যচুক্তির ফাঁদে বাংলাদেশ
বাংলাদেশ কীভাবে এলডিসি উত্তরণ ও বাণিজ্যচুক্তির ফাঁদে পড়েছে, তা নিয়ে লিখেছেন মাহা মির্জা
বাংলাদেশ কীভাবে এলডিসি উত্তরণ ও বাণিজ্যচুক্তির ফাঁদে পড়েছে, তা নিয়ে লিখেছেন মাহা মির্জা
আসিফ মাহমুদ দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সই করা বাণিজ্যচুক্তির বিষয়ে কেউ এনসিপির মতামত নেয়নি।
সম্প্রতি ঢাকায় আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স (অ্যামচেম) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাক্ষরিত তথাকথিত বাণিজ্যচুক্তির পক্ষে যে বক্তব্য দেন, তার অনুবাদ মুক্তকণ্ঠ ২০ মে প্রকাশ করেছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা বাণিজ্যচুক্তিতে ‘গোলামির চরিত্র’ প্রকাশ পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তির বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি। তিনি গণভোটের রায় বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন। রংপুরে সুধী সমাবেশে তিনি এসব মন্তব্য করেন এবং রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে এ টি এম আজম খানকে প্রার্থী ঘোষণা করেন।
আমার সামনে ৩২ পৃষ্ঠার যে দলিল আছে, তার শিরোনাম—‘অ্যাগ্রিমেন্ট বিটুইন দ্য ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা অ্যান্ড দ্য পিপলস রিপাবলিক অব বাংলাদেশ অন রেসিপ্রোক্যাল ট্রেড’, অর্থাৎ এটি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তির একটি দলিল।
বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যচুক্তিটি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। বলা হচ্ছে এতে বাংলাদেশের ওপরই বেশি শর্ত আরোপ হয়েছে। এ নিয়ে আলোচনাকে স্বাগত জানালেও সমালোচনা করার আগে অন্য দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একই ধরনের চুক্তিগুলো দেখে নেওয়ার পরামর্শ দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তিতে বাংলাদেশের ক্ষতিই বেশি
এই চুক্তিতে বাংলাদেশের রাজস্ব, নীতি-স্বাধীনতা ও দর-কষাকষির ক্ষমতা কমবে; বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক ও কৌশলগত লাভ বাড়বে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া বাংলাদেশের পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তির (অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোক্যাল ট্রেড-এআরটি) বৈধতা নিয়ে রিট হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তির প্রথম পর্বে থাকছে শুল্ক, শ্রম, মেধাস্বত্ব, পরিবেশ, কেনাকাটাসহ বাংলাদেশের প্রধান বাধ্যবাধকতার বিশ্লেষণ।
সভা থেকে ২৭ এপ্রিল ‘বৈষম্যমূলক’ মার্কিন বাণিজ্যচুক্তির প্রতিবাদে জাতীয় সংসদ ঘেরাও কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়।