
ফ্যামিলি কার্ড যে উপায়ে স্থায়ীভাবে দারিদ্র্য বিমোচন করতে পারে
বাংলাদেশ গত দুই দশকে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। কিন্তু সেই প্রবৃদ্ধির সুফল সবার কাছে সমানভাবে পৌঁছায়নি।

বাংলাদেশ গত দুই দশকে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। কিন্তু সেই প্রবৃদ্ধির সুফল সবার কাছে সমানভাবে পৌঁছায়নি।

শেয়ারবাজার বিশ্লেষকদের মতে, তালিকাভুক্ত যেসব কোম্পানির ব্যবসায় ভালো প্রবৃদ্ধি রয়েছে, সেসব কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পিই রেশিও যত কম বিনিয়োগ, ততই কম ঝুঁকিপূর্ণ।

অর্থনীতিবিদদের একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছেন—অনানুষ্ঠানিক ও অবৈধ অর্থপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর অগ্রগতি না এলে দৃশ্যমান প্রবৃদ্ধির স্থায়িত্ব ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

খেলাফত মজলিস জিডিপির প্রবৃদ্ধি ১২ শতাংশে নিতে চায়।

আইএমএফ বলেছে, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৭ শতাংশ ও মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৯ শতাংশে থাকবে। দুর্বল ব্যাংকগুলোকে অনিরাপদ তারল্য দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছে আইএমএফ।

চলতি অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে কোম্পানিটির ব্যবসা বেড়েছে প্রায় ১৪ শতাংশ আর মুনাফায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৩ শতাংশের বেশি।

গত রাজনৈতিক সরকারের আমলে দেশের অর্থনৈতিক সাফল্যের যে গল্প শুনেছি আমরা, সেটি দাঁড়িয়ে ছিল এক নড়বড়ে ভিত্তির ওপর। প্রবৃদ্ধির চটকদার শিরোনামের আড়ালে চাপা পড়েছিল অর্থনীতির গভীর কাঠামোগত দুর্বলতা।

সুইজারল্যান্ডের দাভোসে চলছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলন। এই সম্মেলন উপলক্ষে সিইও জরিপের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে প্রাইস ওয়াটার হাউস কুপার্স (পিডব্লিউসি)।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতি কমেছে। প্রবৃদ্ধি কমেছে, মূল্যস্ফীতি অনেক দিন ধরে উচ্চপর্যায়ে রয়েছে এবং ব্যাংক খাত খেলাপি ঋণের ভারে জর্জরিত হয়ে আছে। বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগ কম, সরকারি বিনিয়োগ অনেক ক্ষেত্রে অদক্ষ ও অপচয়মুখী, সরকারি ঋণ বেড়েছে, মানুষের প্রকৃত আয় কমছে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি অনেক কমে গেছে। এসব কারণে অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ তৈরি হয়েছে।

ভবিষ্যৎ ব্যবসা সূচকের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, কৃষি, শিল্প, নির্মাণ ও সেবা—অর্থনীতির চারটি প্রধান খাতেই প্রবৃদ্ধির গতি আগের তুলনায় কমেছে।

সভায় বক্তারা বলেন, ব্যবসায়ী ও মানুষের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে না আনা গেলে প্রবৃদ্ধির গতি বাড়বে না।