৭ দিন ধরে কুড়িগ্রামের শূন্যরেখায় পাঁচজন, খোলা আকাশের নিচে কষ্টে কাটছে সময়
কুড়িগ্রামের রৌমারীর দুই সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশ ইনের চেষ্টার শিকার পাঁচ ব্যক্তি টানা সাত দিন ধরে আন্তর্জাতিক সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন।
কুড়িগ্রামের রৌমারীর দুই সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশ ইনের চেষ্টার শিকার পাঁচ ব্যক্তি টানা সাত দিন ধরে আন্তর্জাতিক সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চৌকা সীমান্ত দিয়ে পুশ ইনের চেষ্টা করা ২০ জনকে ফেরত নিয়ে গেছে বিএসএফ।
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রাধাগোবিন্দপুর ধলা সীমান্ত দিয়ে পাঁচজনকে বাংলাদেশে পুশ ইনের (ঠেলে পাঠানোর) চেষ্টা করেছে বিএসএফ।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে শূন্যরেখায় অবস্থান করা পুশ ইনের শিকার ১২ জনকে ভারতের ভেতরে নিয়ে গেছে বিএসএফ।
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের গয়টাপাড়া সীমান্ত দিয়ে নারী, শিশুসহ ছয়জনকে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর সীমান্তে নারী ও শিশুসহ ১২ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করেছে বিএসএফ। বিজিবি ও স্থানীয় লোকজনের বাধায় সীমান্ত পিলারের কাছে শূন্যরেখায় খোলা মাঠে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন তাঁরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পতাকা বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে।
গতকাল শুক্রবার ভোর পাঁচটায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর সীমান্ত দিয়ে ১২ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা করে বিএসএফ।
মেহেরপুর সদর উপজেলার বুড়িপোতা বিওপি সীমান্তের খালপাড়া এলাকা দিয়ে চারজনকে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা চালিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
বাংলাদেশে এসে আশ্রয় পেয়েছেন সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার এক কৃষকের বাড়িতে। সেখানে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে তাঁর।
দিনাজপুরের বিরামপুর সীমান্তে ৯ নারীকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করেছে বিএসএফ। তবে বিজিবি তাঁদের বাংলাদেশে ঢুকতে না দিয়ে ভারতের দিকে ফেরত পাঠিয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে সাতজনকে বাংলাদেশে পুশইন করার চেষ্টা করেছে বিএসএফ, যা বিজিবি প্রতিহত করেছে। বর্তমানে ওই ব্যক্তিরা শূন্যরেখার ভারতীয় অংশে অবস্থান করছেন।
জয়পুরহাট সদর উপজেলার পশ্চিম রামকৃষ্ণপুর সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করা এক বৃদ্ধ দম্পতিসহ তিন বাংলাদেশিকে রোববার সকাল থেকে আর দেখা যায়নি। তাঁদের সরিয়ে নেওয়া নিয়ে বিজিবি ও স্থানীয়দের বক্তব্যে ভিন্নতা পাওয়া গেছে।