ইরান যুদ্ধে না জড়িয়েও চড়া মূল্য দিতে হবে ইউরোপকে
জ্বালানি বাজার থেকে শুরু করে অভিবাসনপথ, ন্যাটো জোট থেকে জনতুষ্টিবাদী রাজনীতির উত্থান পর্যন্ত নানা ক্ষেত্রে এর ঢেউ ইতিমধ্যেই ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে।
জ্বালানি বাজার থেকে শুরু করে অভিবাসনপথ, ন্যাটো জোট থেকে জনতুষ্টিবাদী রাজনীতির উত্থান পর্যন্ত নানা ক্ষেত্রে এর ঢেউ ইতিমধ্যেই ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে।
তালেবান আন্দোলনকে দীর্ঘদিন ধরে আফগানিস্তানের সবচেয়ে সংগঠিত, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও ঐক্যবদ্ধ শক্তি হিসেবে দেখা হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো বাহিনীর বিরুদ্ধে দুই দশকের যুদ্ধেও এই সংগঠন ভাঙেনি।
গ্রিনল্যান্ডের বিষয়ে ন্যাটোর অবস্থান নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মিত্রদের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ছে। জার্মানি থেকে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা ও ন্যাটোর প্রতি অসন্তোষ যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে ফাটল ধরাতে শুরু করেছে। এটি বিশ্বরাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র ‘খুব দ্রুত’ ইরান থেকে সরে আসবে এবং প্রয়োজনে আবার ফিরে ‘স্পট হিট’ দেবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ন্যাটোর প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করে জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথাও বিবেচনা করছেন। ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংসের পর সরকার পরিবর্তন ও চুক্তির সম্ভাবনা দেখছেন তিনি।
ন্যাটোর শীর্ষ কমান্ডাররা দীর্ঘদিন ধরে ইউক্রেনের এই ড্রোন বিপ্লবের গুরুত্বকে উপেক্ষা করে আসছিলেন।
ইউক্রেন থেকে সরিয়ে নেওয়া হতে পারে এমন অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ন্যাটোর একটি কর্মসূচির আওতায় ফরমাশ দেওয়া আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, মিত্রদেশগুলো সহায়তা না দিলে সামরিক জোট ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
মিত্রদেশের ভূমি দখলের হুমকি থেকে শুরু করে ন্যাটোকে উপেক্ষা-নিয়ম ভাঙার খেলায় মেতেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাড়ছে শঙ্কা, দিশেহারা মিত্ররা।
ন্যাটোর কাঠামোর মধ্যেই এমন দখলদার মানসিকতা বৈধতা পায়, তাহলে প্রশ্ন ওঠে, এই জোটের প্রয়োজনীয়তা কোথায়।