নির্বাচনে শীর্ষ ১০ ধনী প্রার্থী কারা
নির্বাচনে শীর্ষ ১০ ধনী প্রার্থী কারা
নির্বাচনে শীর্ষ ১০ ধনী প্রার্থী কারা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট প্রার্থী প্রায় দুই হাজার। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হবে।
স্থাবর–অস্থাবর সম্পদে কোটিপতি প্রার্থী ৮৯১ জন
সংবাদ সম্মেলনে ‘অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ প্রণয়নে সংস্কারবিমুখতা’ শীর্ষক টিআইবির একটি পর্যবেক্ষণ উপস্থাপন করা হয়।
বিদেশি নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের থাকা-খাওয়ার খরচ বহনের নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্তের সমালোচনা টিআইবির।
ইফতেখারুজ্জামান ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গঠিত দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংস্কার কমিশনের প্রধান এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য ছিলেন।
রাজধানীতে অপরাধ বৃদ্ধি নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের সঙ্গে পুলিশের নিজস্ব তথ্য-উপাত্তের মিল নেই বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, পুলিশের নিয়মিত অপরাধ পরিসংখ্যান ও মাঠপর্যায়ের পর্যবেক্ষণে ভিন্ন চ
অন্তর্বর্তী সরকার আমলে করা জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন বাতিলের পর বিএনপি সরকার এখন যে আইন করতে যাচ্ছে, তাতে কমিশনের স্বাধীনতা খর্ব হওয়া আশঙ্কা দেখছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
‘বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্স ২০২৬’ উদ্বোধনে ইউনেসকোর প্রতিনিধি সুজান ভাইস বলেন, গণমাধ্যম এখন পরিবর্তনের সুযোগের সন্ধিক্ষণে। টিআইবি নির্বাহী ইফতেখারুজ্জামান বিশ্বব্যাপী সাংবাদিকতার ঝুঁকির কথা তুলে ধরেন। বিভিন্ন বক্তা স্বাধীন গণমাধ্যমের গুরুত্ব ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিএনপি সরকার গঠন করে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি। সরকারের এক মাস হতে চলেছে। এ সময়ে সরকারের কার্যক্রম কেমন ছিল, তা নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামানের অভিমত।
হলফনামায় দেওয়া প্রার্থীদের তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে টিআইবি। সংস্থাটির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অন্তত তিন প্রার্থী বিদেশে থাকা সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। কিন্তু তাঁদের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা নিয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠিত না হলে দেশের গণতান্ত্রিক অধিকার, সম–অধিকার ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে না। পাশাপাশি ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নে সময়সীমাভিত্তিক রোডম্যাপ ও সব পক্ষের অংশগ্রহণে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।