
সুন্দরবনে কুমিরের আক্রমণে নিহত জেলের পরিবার পেল সরকারি সহায়তা
সুন্দরবনে কুমিরের আক্রমণে নিহত জেলে সুব্রত মণ্ডলের পরিবারকে সরকারিভাবে তিন লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

সুন্দরবনে কুমিরের আক্রমণে নিহত জেলে সুব্রত মণ্ডলের পরিবারকে সরকারিভাবে তিন লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

ডিজেলের সংকটের কারণে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে সমুদ্রগামী হাজারো ট্রলার মাছ ধরতে সাগরে যেতে পারছে না। এতে এই অঞ্চলের কয়েক লাখ জেলে, ট্রলারমালিক ও মৎস্য খাতের ব্যবসায়ীরা বিপদে পড়েছেন।

নিজের জেলজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আনিস আলমগীর বলেন, ‘জেলে আমার প্রতিটা ক্ষণ, প্রতিটা দিন কীভাবে যে গেছে, এটা বলতে পারব না।’

কয়রা উপজেলার কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয়–সংলগ্ন এলাকায় একটি বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে নিহত জেলে ও বাওয়ালিদের স্ত্রীদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনকালে দমন-পীড়নের মধ্যে যে কয়েকজন বিএনপির ঝান্ডা ধরে রেখেছিলেন, তাঁদেরই একজন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। হামলার মুখে পড়েছেন, জেলে গিয়েছেন, তার মধ্যেই দলের মহাসচিবের দায়িত্ব পালনে অবিচল ছিলেন তিনি। খালেদা জিয়ার সরকারে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা নিয়ে এবার পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন তিনি।

সম্প্রতি দেনার দায়ে অভিনেতাকে জেলে যেতে হয়েছে। এই প্রথম নয়; বৈচিত্র্যময় জীবনে এর আগেও জেল খেটেছেন রাজপাল যাদব।

আজ মঙ্গলবার সকালে কয়রা উপজেলার সুন্দরবনসংলগ্ন জোড়শিং গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, সুন্দরবন থেকে শতাধিক জেলে ইতিমধ্যে জাল-দড়ি গুটিয়ে গ্রামে ফিরেছেন।

একজন মানুষ যদি পাঁচ বছর ধরে কোনো বিচার ছাড়াই জেলে থাকেন, সেটি কি স্বাভাবিক? সুপ্রিম কোর্ট যদি তাঁকে জামিন না দিয়ে আরও এক বছর অপেক্ষা করতে বলে, তাহলে কি সেখানে কোনো সমস্যা নেই।

ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনের বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য শাহ্ শহীদ সারোয়ার জেলে বসেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ থাকা দুই জেলের লাশ উদ্ধার হয়েছে। এখনো এক জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। আজ শুক্রবার ভোরে উপজেলার বড়ঘোপ এলাকায় জোয়ারের সঙ্গে দুই জেলের লাশ ভেসে আসে।

দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র এক বছর পর পদত্যাগ করেছেন ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া সিভিরিদেঙ্কো।

গত এপ্রিল মাসে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দেন যেন ২০২৬ সালের মধ্যে যুদ্ধক্ষেত্রে অন্তত ৫০ হাজার চালকবিহীন স্থলযান নামানো হয়। সৈন্যদের মূল্যবান জীবন বাঁচানোর জন্য একে তিনি প্রযুক্তির ‘পরবর্তী বড় পদক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেছেন।