ভালো কাজে পরস্পর সহযোগিতা
সহযোগিতার মাধ্যমে এমন সব লক্ষ্য ও প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়, যা একা করতে গেলে না–ও পারতে পারে। দায়িত্বও বহু মানুষের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়।
সহযোগিতার মাধ্যমে এমন সব লক্ষ্য ও প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়, যা একা করতে গেলে না–ও পারতে পারে। দায়িত্বও বহু মানুষের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়।
আমরা চেষ্টা করি যত দ্রুত সম্ভব নামাজটা পড়ে শেষ করে দায়মুক্ত হতে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, নামাজ আর ইবাদত কি সত্যিই আমাদের জন্য কোনো বোঝা?
কোরআনের এই ব্যাকরণিক যোগসূত্র প্রমাণ করে যে, সুরা ফিলের ঘটনা না ঘটলে সুরা কোরাইশের ‘নিরাপত্তা ও বাণিজ্য সুবিধা’ (ই–ইলাফ)-র কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তিই থাকে না।
একজন মুমিনের অন্যতম দায়িত্ব হলো, নিজের জিবকে সংযত রাখা এবং সর্বাত্মক চেষ্টা করা, যেন তার কথা কারও সম্মানহানি বা কষ্টের কারণ না হয়।
ভৌগোলিক বা শারীরিকভাবে মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের নির্দিষ্ট সময় ও ফজিলত অতীত ইতিহাসে পূর্ণতা পেলেও, হিজরতের আত্মিক দরজা কিন্তু কেয়ামত পর্যন্ত খোলা রয়েছে।
বয়কট চলাকালীন রাতের আঁধারে উটের পিঠে খাদ্য চাপিয়ে উপত্যকার মুখে ছেড়ে দিতেন, যাতে অবরুদ্ধ মানুষগুলো খাবার পায়। কাবার প্রাঙ্গণে কোরাইশ নেতাদের প্রতিবাদ জানান।
নবীজির জীবনে এই দুই পরিস্থিতিরই সরাসরি দৃষ্টান্ত আছে, আর দুটিতেই তিনি নীতি থেকে একচুল সরেননি। ইতিহাসে এমন উদাহরণ অনেক; এখানে দুটি ঘটনার কথা বলছি।
লোকদেখানো উদ্দেশ্যমুক্ত হয়ে শুধুই আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করা। বাহ্যিকভাবে দুজন মানুষ একই কাজ করলেও নিয়তের পার্থক্যের কারণে আল্লাহর কাছে তাঁদের মর্যাদা বদলে যায়।
অকারণে জামাত ত্যাগ করা মোনাফেকের লক্ষণ। আমাদের উচিত ভয় ও ভক্তির সঙ্গে মসজিদে গিয়ে জামাতের সহিত নামাজ আদায় করা এবং পরিবারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া।
প্রশ্নটা হলো, হাদিসের ‘দেখা’কে কি ‘চোখে দেখা’ মানতে হবে, নাকি বৈজ্ঞানিক হিসাবের মাধ্যমেও তা পূরণ হতে পারে? কেউ বলেছে, সরাসরি চাঁদ দেখা বাধ্যতামূলক।
তিনি ইতিহাসে এক ‘চিরকুমারী মুহাদ্দিসা’ হিসেবে পরিচিত। ঐতিহাসিকদের মতে, বিবাহিত জীবনের ব্যস্ততায় যেন জ্ঞানার্জনে ব্যাঘাত না ঘটে, তাই তিনি আজীবন অবিবাহিত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
সামর্থ্যের বাইরে গিয়ে ঋণে জীবন যাপন করা কোনো একক সমস্যা নয়; এটা একটার পর একটা স্তরে বাড়তে থাকা একটা ঝুঁকি, যার প্রতিটি স্তরের পরিণতি আগেরটার চেয়ে ভারী। তেমন চারটি স্তর আলোচনা হলো।