চাঁদাবাজিতে সক্রিয় ১৪৮ অস্ত্রধারী, ঢাকায় কোথায় বেশি সক্রিয়
ডিএমপির তালিকায় রাজধানীর ১,২৮০ চাঁদাবাজের নাম এসেছে। তাদের মধ্যে ১৪৮ জন অস্ত্রধারী।
ডিএমপির তালিকায় রাজধানীর ১,২৮০ চাঁদাবাজের নাম এসেছে। তাদের মধ্যে ১৪৮ জন অস্ত্রধারী।
বাংলাদেশের মোহাম্মদপুরও যেন ‘সিটি অব গড’; দশকের পর দশক ধরে সেখানে অপরাধী দল নিজেদের মধ্যে খুন, পাল্টা খুন করছে।
‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ তারিক সাঈফ মামুনকে গুলিবর্ষণের সময়কার ভিডিও পাওয়া গেলেও তাঁদের চেনার মতো কোনো স্পষ্ট সূত্র ছিল না গোয়েন্দাদের কাছে। কারণ, মুখই ছিল ঢাকা, খুব দ্রুত তাঁরা পালিয়েও যান। পরে একজনের গুলির ধরন দেখে শনাক্ত করা হয়।
সর্বশেষ গত ২৭ ফেব্রুয়ারি চাঁদার টাকা না পেয়ে পরীবাগ সুপারমার্কেটের একটি ওষুধের দোকানের কর্মচারীর ওপর গুপ্ত হামলা করা হয়।
মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৫ জনকে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ১১ জনই পলাতক, কারাগারে বন্দী আছেন ৪ জন।
দ্বিতীয় পর্বে উঠে এল পুরান ঢাকা, পল্টন, খিলক্ষেত, যাত্রাবাড়ী, মহাখালী, গুলশানসহ বিভিন্ন এলাকার চাঁদাবাজির চিত্র।
দলের নেতা ও সন্ত্রাসীরা চাঁদা তোলে। পুলিশের কিছু কর্মকর্তাও ভাগ পান বলে ডিএমপির তালিকায় এসেছে।
সাত সেকেন্ডের অস্পষ্ট ভিডিও ফুটেজ ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে ডিবি স্বেচ্ছাসেবক নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বির হত্যার খুনিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করেছে। বিদেশে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীর নির্দেশে চার মাসের পরিকল্পনায় হত্যা করা হয়। পাঁচজন গ্রেপ্তার, মধ্যে তিন ভাই।
কৃষিবিদ মোহাম্মদ শহিদুল ইসলামের লাশ পাওয়া গেছে মাদারীপুরের শিবচরে। তাঁর দুই শিশুসন্তান বাবাকে ছাড়া প্রথম ঈদ করতে যাচ্ছে।
বগুড়ার একটি আদালত পরোয়ানা জারি করার পর ছয় মাস ধরে তাঁকে খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ। অথচ ঢাকার রূপনগর এলাকায় বিভিন্ন অনুষ্ঠান-কর্মসূচিতে নিয়মিত অংশ নিচ্ছেন তিনি।
ডিএমপির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজধানীর আটটি থানা এলাকায় অভিযানে এই ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার ডিএমপির পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।