ইরানে আহত বিক্ষোভকারীরা কেন হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিতে চান না
ইরানের বিক্ষোভে এ পর্যন্ত ৬ হাজার ৩০১ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে এইচআরএএনএ।
ইরানের বিক্ষোভে এ পর্যন্ত ৬ হাজার ৩০১ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে এইচআরএএনএ।
গতকাল মঙ্গলবার সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ এমন তথ্য দিয়েছে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো বলছে, ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী সরাসরি বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালিয়েছে।
ইরানের রাজপথের বিক্ষোভ এখন স্তিমিত। হাজার হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই অস্থিরতায় সমর্থন দেওয়ার অভিযোগে অনেকের ব্যবসায়িক সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে
১৯৫৩ সালের আদি পাপ ওয়াশিংটনকে শিখিয়েছিল টাকা দিয়ে রাজপথ কেনা যায় এবং নেতৃত্ব সরানো যায়। দীর্ঘমেয়াদি ফলের কথা কেউ ভাবেনি। আজ সেই বুমেরাং ফিরে আসছে ধারালো হয়ে।
বিরোধীদের এই সহিংসতা এমন অনেক মানুষকে হতবাক করেছে, যাঁরা নিজেরাও সরকারের বিরোধী। এই আন্দোলনকে আগেরগুলোর থেকে আলাদা মনে হওয়ার এটাও ছিল বড় কারণ।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, ইরানকে আক্রমণ করার সুযোগ খুঁজছে ইসরায়েল। তিনি এই আশঙ্কার কথা তেহরানের নেতৃত্বকেও জানিয়ে দিয়েছেন।
বিক্ষোভে নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ২ হাজার ৪২৭ জন বেসামরিক মানুষ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য।
ইরানে বিক্ষোভ: হাজারো মানুষকে হত্যা করল কারা
প্রতিবেশী দেশগুলো জানে, এমন কোনো সংঘাত খুব দ্রুত সীমান্তের বাইরে ছড়িয়ে পড়বে।
ইরানি কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যের আগে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ ইরানে বিক্ষোভ ঘিরে নিহতদের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য দিয়েছিল।
ইরানের ব্যবস্থার মূল ভিত্তি হলো, এর অভ্যন্তরীণ কঠোর সংহতি।