
নওগাঁ-৫ আসনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীকে শোকজ
নওগাঁ-৫ (নওগাঁ সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম ও জামায়াতের প্রার্থী আবু সাদাত মো. সায়েমকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

নওগাঁ-৫ (নওগাঁ সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম ও জামায়াতের প্রার্থী আবু সাদাত মো. সায়েমকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনের মাঠে সমতা রক্ষা করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামী।

রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠকে বসে জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ দলের শীর্ষ নেতারা।

এনসিপি ছেড়ে প্রায় ৫০ জন নেতা-কর্মী ছাত্র অধিকার পরিষদে যোগ দিয়েছেন। এর আগে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট এবং স্থানীয় পর্যায়ে এনসিপির সক্রিয় প্রতিনিধি না থাকার অভিযোগ তুলে তাঁরা এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেছিলেন।

দফায় দফায় বৈঠক করেও জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গতকাল বুধবার রাত পর্যন্ত আসন সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি।

নতুন জোটের ইঙ্গিত ইসলামী আন্দোলনের

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আসন সমঝোতা যখন জটিলতায়, তখন নতুন জোটের ইঙ্গিত দিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান।

প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের মধ্যে প্রায় ৫ কোটিই তরুণ; নির্বাচনী লড়াইয়ে তাঁদের গুরুত্ব থাকাটাই স্বাভাবিক। সেই গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তুলেছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান। কারণ, এর নেতৃত্বে ছিলেন তরুণেরা। দুই মিলিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হার–জিত তরুণ ও নতুন ভোটাররাই নির্ধারণ করে দিতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।

আজ বুধবার বেলা সোয়া ২টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জামায়াতের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং আল্লামা মামুনুল হকের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নির্বাচনী আসন সমঝোতায় থাকবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। আসন বণ্টন বিষয়ে অসন্তোষ থেকেই এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

আসন সমঝোতার আলোচনায় থাকা ইসলামী আন্দোলন শুরু থেকে শতাধিক আসনে নির্বাচন করতে চেয়েছিল।