হানিফের মামলায় আবার ‘ক্যামেরা ট্রায়ালের’ মাধ্যমে জবানবন্দি গ্রহণ
মানবতাবিরোধী অপরাধে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফসহ চার আসামির বিরুদ্ধে মামলা।
মানবতাবিরোধী অপরাধে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফসহ চার আসামির বিরুদ্ধে মামলা।
ময়মনসিংহের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ‘ভুলবশত’ হত্যা মামলার তিন আসামিকে মুক্তি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কারাগারের এক ডেপুটি জেলারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড পাওয়া আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে আপিল করেছে প্রসিকিউশন।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে শেখ হাসিনা ছাড়া অপর আসামিদের মধ্যে আছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহিদুল হক।
ঘটনার সময় আসামি ছিলেন কারাগারে। আর পুলিশ বলছে, থানা ভাঙচুর, লুটপাটে জড়িত। ফলে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনও করা হয় আদালতে। বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন আসামির আইনজীবী। পরে কারা কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদনে আসামির কারাগারে থাকার তথ্য নিশ্চিত হলে আদালত গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন বাতিল করেন এবং আবেদনকারী পুলিশ কর্মকর্তাকে কারণ দর্শাতে (শোকজ) নির্দেশ দেন।
আজ বুধবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইবুনাল-১–এর বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এ রায় দেন।
এস আলম, পি কে হালদারসহ ১৩ আসামির বিরুদ্ধে ৩৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলার বিচার শুরু।
বিবৃতিতে বিশিষ্ট নাগরিকেরা বলেন, ‘সাদ্দাম কোনো ফাঁসির আসামি ছিলেন না, যে তাঁকে প্যারোলে মুক্তি দিলে অনেক ভয়ের কারণ হতে পারে।’
তিনজনের মৃত্যুদণ্ড হলেও তিন আসামির কারাদণ্ডের রায়ে ক্ষুব্ধ শহীদ শাহারিয়ার খান আনাসের মা সানজিদা খান। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এই রায় নিয়ে।
গত বছরের ১০ আগস্ট রূপলালের স্ত্রী ভারতী রানী বাদী হয়ে তারাগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা প্রায় ৭০০ জনকে আসামি করা হয়।
আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম এই আদেশ দেন।
ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুরসহ ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড