ইরান নাকি ট্রাম্পই যুদ্ধ শেষ করতে বেশি মরিয়া, তাঁর কথাবার্তায় কী মনে হচ্ছে
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বকে এটা বিশ্বাস করাতে আপ্রাণ চেষ্টা করছেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান এখন যুদ্ধ শেষ করতে প্রস্তুত।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বকে এটা বিশ্বাস করাতে আপ্রাণ চেষ্টা করছেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান এখন যুদ্ধ শেষ করতে প্রস্তুত।
গত জুনে ইরান, ডিসেম্বরে নাইজেরিয়া এবং জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলায় ট্রাম্পের হামলা গ্রিনল্যান্ড দখলের আশঙ্কা বাড়িয়েছে।
বিশ্বের দুই বৃহৎ শক্তির বহুল আলোচিত শীর্ষ বৈঠক শেষে শুক্রবার চীন ছাড়লেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জেরে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক বিমান হামলা এবং পাল্টা ইরানি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বুধবার রাতে সিনেটে ৫০–৪৭ ভোটে একটি যুদ্ধক্ষমতা–সংক্রান্ত প্রস্তাব আটকে দেওয়া হয়
মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, বিদেশি শক্তিগুলো ইরানের সমস্যাগুলোর সুযোগ নিয়েছে।
নিরাপত্তাঝুঁকি থাকায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে চায় না ইরান। বিশ্বকাপে তাদের ম্যাচগুলো মেক্সিকোতে সরিয়ে নিতে চায়।
দুবাই উপকূলে ইরান কুয়েতি তেল ট্যাঙ্কার আল-সালমিতে হামলা চালিয়েছে। ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি না খোলায় ইরানের তেলকূপ ও এনার্জি প্ল্যান্ট ধ্বংসের হুমকি দিয়েছেন। এতে তেলের দাম বেড়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়াচ্ছে।
ইরানে পশ্চিমাদের হস্তক্ষেপ যাঁরা সমর্থন করে আসছেন, তাঁরা বহু বছর ধরে যুক্তি দিয়ে আসছেন—ইরানের বিদ্যমান সরকার দমন-পীড়ন, অর্থনৈতিক ক্ষয় ও সামাজিক স্থবিরতার মধ্য দিয়ে পুরো দেশের যে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করছে, তা বাইরের দেশের সহিংস বিদেশি হস্তক্ষেপের ঝুঁকির চেয়ে বেশি ক্ষতিকর।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র একটি চুক্তিতে পৌঁছার খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে।
চুক্তি না হলে ইরানে হামলার হুমকি দিয়ে আসছেন ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রের মাত্র ৩৬ শতাংশ মানুষ ট্রাম্পের বর্তমান কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট।