স্পিকার না থাকলে সংসদ সদস্যদের শপথ কী করে হবে
বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানোর উপযুক্ত ব্যক্তি হলেন স্পিকার অথবা ডেপুটি স্পিকার।
বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানোর উপযুক্ত ব্যক্তি হলেন স্পিকার অথবা ডেপুটি স্পিকার।
পঞ্চগড় সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু দাউদ প্রধানের উপস্থিতিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের চাকলাহাট ইউনিয়ন কার্যালয়ের তালা খুলে দেওয়া হয়েছে।
পাতায় মোড়া মাছের স্বাদ যেন পুরোই আলাদা। কলাপাতায় রাঁধতে পারেন পাবদা মাছ। রেসিপি দিয়েছেন সিতারা ফিরদৌস।
সপ্তাহ দু-এক আগে একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে একজন বিএনপি নেতার সঙ্গে দেখা হলো। উপজেলা পর্যায়ের একজন ত্যাগী নেতা।
গতকাল পাকিস্তানের কিংবদন্তি স্পিনার সাকলায়েন মুশতাক অভিযোগ করেছেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটাররা নিজেদের মন্তব্যের মাধ্যমে ঘৃণা ছড়াচ্ছেন।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য রোটারি পিস ফেলোশিপ ২০২৭-২০২৮ ঘোষণা করা হয়েছে। এটি একটি ‘পূর্ণ অর্থায়িত’ ফেলোশিপ প্রোগ্রাম, যা ১৭০ জন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীকে শান্তি ও উন্নয়ন খাতে নেতৃত্ব প্রদানের সুযোগ দেবে।
মুক্তকণ্ঠতে প্রকাশিত সাম্প্রতিক কলামে মাহতাব উদ্দীন আহমেদ এনসিপির নির্বাচনী ইশতেহার নিয়ে যে প্রশ্ন ও সমালোচনা উত্থাপন করেছেন, সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়ার মতো।
মুক্তকণ্ঠতে প্রকাশিত ‘গণভোটের প্রচার: নির্বাচন কমিশনের মস্ত বড় ভুল নির্দেশনা’ শীর্ষক কলামে ড. বদিউল আলম মজুমদার সম্প্রতি দাবি করেন, নির্বাচনের সাথে সম্পৃক্ত থাকা সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রেরিত ২৯ জানুয়ারির নির্দেশনাটি ‘সংশ্লিষ্ট আইনের ভুল পাঠের ভিত্তিতে জারি করা হয়েছে’।
বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে এবার প্রথমবারের মতো প্রবাসীরা তাঁদের সাংবিধানিক ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন।
দৈনিক মুক্তকণ্ঠের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানা যায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ৮১টি সংস্থার ৫৫ হাজার ১৫৪ জন পর্যবেক্ষককে অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে একটি নামমাত্র সংস্থাই ১০ হাজার পর্যবেক্ষক নিয়োগের অনুমোদন পেয়েছিল, যা পরে স্থগিত করা হয়। এ ঘটনা ব্যতিক্রম নয়, বরং পুরো নির্বাচন পর্যবেক্ষণব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতাকে স্পষ্ট করে।
জোনায়েদ সাকি বলেন, ভোটে জনগণের আগ্রহ আছে। গণতন্ত্রের জন্য সুস্থ নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে আনতে হবে।
একটি যুগোপযোগী ও ন্যায়ভিত্তিক শিক্ষাকাঠামো গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ ছিল শিক্ষা আইন ২০২৬। কিন্তু তাড়াহুড়ো, সীমিত পরামর্শ ও রূপান্তরমূলক দৃষ্টিভঙ্গির অভাবে এটি সেই সুযোগ হারানোর ঝুঁকিতে আছে। শিক্ষা আইন যেন আরেকটি প্রশাসনিক দলিল না হয়ে ওঠে। বরং তা হোক ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সামাজিক চুক্তি। সে জন্য সময় নিয়ে, সাহসী সংশোধনের মাধ্যমে এই আইনকে নতুন করে ভাবাই এখন সবচেয়ে জরুরি।