বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয় কেন ঝুঁকির, কেন সম্ভাবনার
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে (বিএনপি) তাদের ব্যাপক বিজয়ের জন্য অভিনন্দন।
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে (বিএনপি) তাদের ব্যাপক বিজয়ের জন্য অভিনন্দন।
আজ রোববার অর্থ উপদেষ্টার বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। এ সময় অর্থ উপদেষ্টা বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।
চীনের জন্মহার ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।
প্রতিবছর লাখ লাখ মানুষ চাকরি, পড়াশোনা কিংবা ভ্রমণের উদ্দেশ্যে বিদেশে যান। অনেকেই ফিরে এসে প্রায় একই কথা বলেন, সেখানে নেমেই চোখে পড়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার শৃঙ্খলা।
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে ভারত, চীন ও রাশিয়া মোট ২১৭ কোটি ডলার দিয়েছে। এগুলো আগের নেওয়া ঋণের অর্থ।
নতুন সরকারের জন্য প্রথম ১০০ দিনের প্রথম চ্যালেঞ্জ হলো, একটা উপযোগী বাজেট তৈরি করা। কারণ, তিন মাস হতে না হতেই আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশের সময় হয়ে যাবে।
জনগণের একটি অংশ বিশ্বাস করে যে বিএনপি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সক্ষম। এই আস্থার পেছনে রয়েছে অতীত অভিজ্ঞতা।
নির্বাচনের কারণে রাজধানীতে শাকসবজির সরবরাহ কম। খুব প্রয়োজন ছাড়া বাজারে যাচ্ছেন না ক্রেতারা।
গণ-অভ্যুত্থানের আগে দেশ এক দীর্ঘ স্বৈরশাসনের মধ্য দিয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের দুর্নীতি ও দুঃশাসন সব মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিল।
চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে আমদানি হয়েছে ৯২ কোটি ডলারের কৃষিপণ্য। তাই বছরে সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলারের আমদানি নিয়ে সংশয়।
দুই মাসে ব্যাংকের বাইরে নগদ অর্থ প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশকে অনেক পণ্য কিনতে হবে, যাতে দেশটির বাণিজ্যঘাটতি কমে। বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের বাণিজ্যঘাটতি ৬০০ কোটি ডলারের।