নেত্রকোনায় বিএনপির কায়সার কামাল বড় ব্যবধানে জয়ী
নেত্রকোনা-১ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৯ জন। ভোট পড়েছে ৫৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ। আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নেত্রকোনা-১ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৯ জন। ভোট পড়েছে ৫৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ। আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
বিএনপির প্রার্থীর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের খুলনা মহানগর আমির মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৬ হাজার ১০ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি–সমর্থিত প্রার্থী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি ৯৫ হাজার ৩৪২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ১ লাখ ২০ হাজার ৯৬১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন বিএনপির প্রার্থী মো. লুৎফুজ্জামান বাবর।
ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ। ধানের শীষের প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৫৭৭ ভোট।
হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম পিন্টু ও আহমেদ আযম খান, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন (টুকু) জয়ের পথে আছেন তিনি।
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে জয়ী হওয়ায় বিএনপি জোটের প্রার্থী ও গণঅধিকারের সভাপতি নুরুল হককে (নুর) অভিনন্দন জানিয়েছেন তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্ব হাসান মামুন।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার একাধিক কেন্দ্রে ভোটারদের মধ্যে উৎসবের আমেজ দেখা গেছে।
বগুড়ার সাতটি আসনের মধ্যে সবকটিতে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। এর মধ্যে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে আংশিক ফলাফলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দ্বিগুণ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।
সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। এর মধ্যে চারটিতে ধানের শীষ প্রতীকের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা, অন্যটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী।
এ নিয়ে সারা দেশে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আটজনের মৃত্যু হলো।
দোলাইরপাড় উচ্চবিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে ঢাকা–৪ আসনের দুটি কেন্দ্র।