
যুদ্ধ ছাড়া নেতানিয়াহুর টিকে থাকা কেন কঠিন
ইরানে সাময়িক যুদ্ধবিরতি হয়েছে বলে তো আর নেতানিয়াহুর হাত গুটিয়ে বসে থাকার উপায় নেই।

ইরানে সাময়িক যুদ্ধবিরতি হয়েছে বলে তো আর নেতানিয়াহুর হাত গুটিয়ে বসে থাকার উপায় নেই।

পুরোনো সংকট কাটেনি, সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ। মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, খেলাপি ঋণ ও জ্বালানিঝুঁকির মধ্যে নতুন সরকার কোন অগ্রাধিকার আগে দেবে, সেই প্রশ্নই এখন বড়।

যে নেতারা একসময় বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যক্তিকে সন্তুষ্ট করতে, তাঁকে তোষামোদ করতে চেষ্টা করতেন, তাঁরা এখন তাঁর সমালোচনার সাহস দেখাচ্ছেন, তাঁর থেকে দূরত্ব বাড়াচ্ছেন।

আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজারের বেশি সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রথমবারের মতো ২৪ দলের এশিয়ান কাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে সৌদি আরব।

লেবাননে গত মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের ধারণা, প্রেসিডেন্ট এই যুদ্ধের জন্য জনগণকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করেননি এবং যুদ্ধের কারণও স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা হয়নি।

যদি যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হয় এবং আরও অনেক দেশ এতে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার আরও কমতে পারে।

মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলা হয়।

ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার জানান, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে আলোচনা আগামী দুই দিনের মধ্যে পুনরায় পাকিস্তানে শুরু হতে পারে।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল, গ্যাস ও সারের দাম বেড়ে গেছে। ঋণের খোঁজ করতে ইআরডিকে চিঠি অর্থ মন্ত্রণালয়ের।

গত এক বছরের বেশি সময় ধরে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ইস্যুতে ইউরোপকে পাশ কাটিয়ে চলছেন।