ভোটে কারচুপির অভিযোগ এনে হাইকোর্টে চার প্রার্থী
চার প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির একজন ও জামায়াতের তিনজন। আসনগুলো হলো ঢাকা-৬ ও ৭, শেরপুর-১ ও গাইবান্ধা-৪।
চার প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির একজন ও জামায়াতের তিনজন। আসনগুলো হলো ঢাকা-৬ ও ৭, শেরপুর-১ ও গাইবান্ধা-৪।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের ১০৭টি কেন্দ্রের ভোট পড়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১২০। এটি মোট ভোটার সংখ্যার প্রায় ৫৮ শতাংশ। এ আসনে বিএনপির নুরুল আমিন ৯৯টি কেন্দ্রে জিতে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান জয় পেয়েছেন ৮টি কেন্দ্রে। এর মধ্যে একটি পোস্টাল ভোটকেন্দ্র।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লার ১১টি আসনে গড়ে ভোট পড়েছে ৫৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ। জেলায় সব মিলিয়ে ৮৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তাঁদের ৭১ শতাংশেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
প্রথমবার নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে ১৪৮ জন বিএনপির। জামায়াতে ইসলামীর ৬৩ জন।
নেত্রকোনার পাঁচটি আসনের মধ্যে শুধু নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. আবু তাহের তালুকদার কেন পরাজিত হলেন, সেই হিসাব কষছেন নেতারা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই–তৃতীয়াংশের বেশি আসনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয়ী হয়েছে বিএনপি।
অভ্যন্তরীণ কোন্দল থেকে বিদ্রোহী প্রার্থীর চাপ, চাঁদাবাজি-দখল ও প্রার্থী নির্বাচনে ভুল—এসব কারণ বাগেরহাটে বিএনপির বড় পরাজয়ের কারণ বলে ধারণা রাজনীতিসচেতন স্থানীয়দের।
রংপুরকে বলা হতো জাতীয় পার্টির ঘাঁটি। সেখানে জামায়াতের উত্থান নিয়ে যেমন আলোচনা হচ্ছে, তেমনি কথা হচ্ছে বিএনপি প্রার্থীদের পরাজয় নিয়েও।
জামায়াতে ইসলামী সংসদে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির শফিকুর রহমান।
আগামীকাল ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
খুলনা-১ আসনে জয়ী হয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আমীর এজাজ খান। খুলনা-৫ আসনে বিসিবির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলি আসগার জয়ী হয়েছেন।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণের পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের মিত্ররা আক্রান্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ করে আসছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ভোটে জয়ী বিএনপির নেতা–কর্মীরা এই হামলা চালাচ্ছেন বলে দলটির অভিযোগ।