
কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ ইরান–যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, কিছু অগ্রগতির ইঙ্গিত
ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা এড়ানোর মতো কোনো চূড়ান্ত সমাধান হয়নি।

ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা এড়ানোর মতো কোনো চূড়ান্ত সমাধান হয়নি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে সক্ষম এমন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করবে। তবে মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন তাঁর এই দাবিকে সমর্থন করে না।

মূলত পেশাদার অর্থনীতিবিদ, আর্থিক খাতে কাজ করা বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্ষদ থেকেই গভর্নর বা চেয়ারম্যান বেছে নেওয়া হয়।

ট্রাম্প এখন ভুল করতে পারেন, যে ধরনের ভুল ২০০৩ সালের পর মধ্যপ্রাচ্যে জর্জ ডব্লিউ বুশকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছিল।

২০১৪ সালে বালিতে খুন হন শিলা ফন ওয়াইজ-ম্যাক।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাতের তীব্র আশঙ্কার মধ্যে আবার আলোচনায় বসেছে দুই দেশ।

কিউবার জলসীমায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গুলিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিবন্ধিত একটি স্পিডবোটের চারজন নিহত হয়েছেন।

খামেনির রাজনৈতিক শক্তি টিকে আছে এমন এক আদর্শিক ভিত্তির ওপর, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধিতা একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘একটি চুক্তির পক্ষে-বিপক্ষে দুটি দিক থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। আমরা এগুলো পর্যালোচনা করব। এরপর করণীয় ঠিক করব।’

চুক্তি না হলে ইরানে হামলার হুমকি দিয়ে আসছেন ট্রাম্প।

বিল গেটসের অর্থায়নে পরিচালিত টাইপ ওয়ান এনার্জি নামের একটি প্রতিষ্ঠান সেখানে তৈরি করছে একটি ফিউশন রিঅ্যাক্টর। রিঅ্যাক্টরকে বিজ্ঞানীরা ডাকছেন কৃত্রিম সূর্য নামে।

মাত্র আট মাস পরই ভোটাররা নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের ওপর তাঁদের রায় দেবেন।