হোটেলে গুলির ঘটনায় ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে হোটেলে গোলাগুলির ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে হোটেলে গোলাগুলির ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির একটি হোটেলের নৈশভোজ থেকে জরুরি ভিত্তিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরিয়ে নিয়েছেন তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা।
ট্রাম্পের ইরানকে নতি স্বীকার করানোর কৌশল ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রধান মধ্যস্থতাকারী মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা ২১ ঘণ্টায় ব্যর্থ হয়েছে। এর পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীরবতা উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধবিরতির মেয়াদ এখনো ১০ দিন বাকি থাকলেও যুদ্ধের আশঙ্কা কমেনি।
ইরানের বিরুদ্ধেও ‘টাকো ট্রাম্প’ একই রকম হুমকি দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালি খুলে না দিলে এমনভাবে গুঁড়িয়ে দেবেন যে ইরানি সভ্যতা বলে কিছু থাকবে না।
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু সরকারের অনেকেই ইতিমধ্যে বলে ফেলেছেন, ওল্ড টেস্টামেন্টে ‘আর্মাগেডন’ বা ‘চূড়ান্ত যুদ্ধের’ প্রেক্ষাপট ইরান যুদ্ধের মধ্য দিয়েই সূচিত হতে যাচ্ছে।
ভারতীয় পণ্যের ওপর আরোপিত অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করে নিয়েছেন ট্রাম্প।
প্রায় দুই ঘণ্টার বৈঠকে সাংবাদিকদের থাকতে দেওয়া হয়নি। পরে ট্রাম্প ও পেত্রো সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন।
গ্রিনল্যান্ডের প্রতিরক্ষা নিশ্চিতে ভবিষ্যৎ চুক্তির ‘কাঠামো’ গুছিয়ে আনার দাবি করেছেন ট্রাম্প।
২০২৪ সালের মার্চে ওজতুর্কসহ চারজন টাফটস ডেইলি পত্রিকায় একটি মতামতধর্মী নিবন্ধ লেখেন, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ‘গণহত্যা’ স্বীকার করার আহ্বান জানানো হয়।
ট্রাম্পের শুরু করা এই যুদ্ধ দিন দিন জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তেহরানসহ ইরানের প্রধান শহরগুলোয় হামলা চালানো হয়।