‘আমি ও ডামি’র সাজানো ছকে ভোট করে ৭ মাসের মধ্যে পতন
আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে শেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছিল ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি, যা ছিল তাদের আগের দুটি নির্বাচনের চেয়েও অভিনব।
আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে শেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছিল ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি, যা ছিল তাদের আগের দুটি নির্বাচনের চেয়েও অভিনব।
এখান থেকে যে প্রার্থী যত বেশি ভোট টানতে পারবেন এবং আওয়ামী লীগ–সমর্থিত ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোট পাবেন, তাঁর জয়ের সম্ভাবনা তত বেশি।
এনসিপি ইশতেহারে আওয়ামী লীগ আমলের সব মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করার কথা বললেও কাঠামোগত গণহত্যায় যে হাজারো মানুষ মারা গেল রানা প্লাজা, তাজরীন, হাশেম ফুডসে, কিংবা চকবাজারে, সেগুলো নিয়ে তাদের কোনো আলাপই নেই। আলাপ নেই অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ঘটা সব রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ও মব সন্ত্রাসের বিচার নিয়ে। পার্বত্য চট্টগ্রামে বিভিন্ন সময়ে ঘটা মানবতাবিরোধী অপরাধগুলো নিয়ে কোনো আলাপ নেই।
২০২৬ সালে এসেও রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও সংবিধান সংশোধনীর জন্য জুলাই সনদ প্রশ্নে গণভোট আহ্বান করা হয়েছে। ক্ষমতাচ্যুত এবং পরবর্তী সময়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ছাড়া দেশের সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যই এই গণভোটের ভিত্তি।
শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারায় মূল লড়াইটি হবে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ভোটের মাঠে নেমে তাদের ইশতেহার ঘোষণা করেছে। সেখানে আওয়ামী লীগ আমলে সংঘটিত সব মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিশ্চিতের পাশাপাশি ‘ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন’ কমিশন প্রতিষ্ঠার কথা রয়েছে।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে টিএফআই সেলে গুম করে রাখার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আসামি ১৭ জন।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত দেড় বছরের কাজের খতিয়ান তুলে ধরেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে ঢাকার গণপরিবহন-ব্যবস্থায় যুক্ত হয়েছিল মেট্রোরেল। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এর পাশাপাশি মনোরেল চালুর কথা বলেছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ফলে তা নিয়ে চলছে আলোচনা।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে দেশে ফিরতে না পারা এই ক্রিকেটারকে আবারও বিবেচনায় নেওয়ার খবরে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া আওয়ামী লীগ ও শেখ মুজিবুর রহমানের জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে। খুব স্বাভাবিকভাবেই সেই নির্বাচনে দলটির বড় বিজয় পাওয়াটা নিশ্চিতই ছিল। কিন্তু দলটির নেতা-কর্মীদের কারচুপি, অনিয়মের কারণে নির্বাচনটি বিতর্কিত হয়।
নিঃসন্দেহে জুলাই সনদ ফ্যাসিবাদ দূরীকরণে আওয়ামী লীগ ছাড়া সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাবিত এযাবৎকালের বড় প্রেসক্রিপশন। যেটি বাস্তবায়নে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গোলাপি ব্যালটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ গণভোটের মাধ্যমে পাবলিক ম্যান্ডেট নেওয়া হবে।