
দিনে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নাকচ করে রাতেই কেন যুদ্ধ বন্ধের ইঙ্গিত ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধ নিয়ে কিছুটা সুর নরম করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে কিছুটা সুর নরম করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঘন আকাশের নিচে এক নতুন অস্বস্তিকর সত্য ক্রমে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও আমেরিকাকে এমন এক যুদ্ধে টেনে এনেছেন, যার শেষ কোথায়, তা কেউ জানে না।

মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনাদের সুনির্দিষ্ট ভূমিকা কী হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

যেমনটা ধারণা করা হয়েছিল, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসের বৈঠকটি তেমনই হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের শুরু করা যুদ্ধের প্রভাব এখন দেশটিতেও পড়তে শুরু করেছে। যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়েছে, তাতে গৃহস্থালিতে ব্যয় বাড়িয়ে চাপে ফেলেছে দেশটির নাগরিকদের।

ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে বিমান ও নৌবাহিনী পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনায় রাখছে।

ছোট্ট কিউবা, ফিদেল কাস্ত্রোর কিউবা, চে গুয়েভারার কিউবা মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে বলা যায়।

এক বছর আগে প্রেসিডেন্টের চেয়ারে ফেরার পরপরই এক নির্বাহী আদেশে ভয়েস অব আমেরিকা কার্যত বন্ধ করে দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এখন তা আবার সচল করার আদেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত।

হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার প্রচেষ্টায় শক্তি প্রয়োগে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনায় টোকিওকে যুক্ত হওয়ার আহ্বান ডোনাল্ড ট্রাম্প আবার জানাতে পারেন।

ইরান জাতীয় ফুটবল দল বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনো চিন্তাই করছে না। তবে যুক্তরাষ্ট্রে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে তারা অনড়।

কেন্ট খুদে ব্লগ লেখার সাইট এক্সে তাঁর পদত্যাগপত্রের একটি প্রতিলিপি প্রকাশ করেছেন।

ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সব দূতাবাস ও কূটনৈতিক দপ্তরকে অবিলম্বে নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যালোচনা করতে নির্দেশ দিয়েছে পররাষ্ট্র দপ্তর।