
বাজেট বড় হলেও বাস্তবায়ন অসম্ভব নয়: এফবিসিসিআই
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটকে বাস্তবায়নযোগ্য বলে মনে করলেও রাজস্ব আহরণ, ব্যাংক ঋণ ব্যবস্থাপনা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও কাঠামোগত সংস্কারের ঘাটতি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে এফবিসিসিআই।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটকে বাস্তবায়নযোগ্য বলে মনে করলেও রাজস্ব আহরণ, ব্যাংক ঋণ ব্যবস্থাপনা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও কাঠামোগত সংস্কারের ঘাটতি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে এফবিসিসিআই।

অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সংকট ও আন্তর্জাতিক বাস্তবতা বিবেচনায় প্রথম বছরের প্রধান কাজ হওয়া উচিত অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা। লিখেছেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, আগের সরকারের চুক্তিগুলোর কারণে আর্থিক বোঝা বাড়ছে। সরকার আইনি পর্যালোচনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বিএনপি সরকারের প্রস্তাবিত ঘাটতি বাজেটের সমালোচনা করেছে।

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানিসংকট ও বিনিয়োগ স্থবিরতার মধ্যে অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকার যেসব সংস্কারমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা প্রশংসনীয়।

২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট সম্পর্কে জামায়াতের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরার জন্য এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলে রাজস্ব ও মুদ্রা নীতির মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। তখন সরকারকে অন্য উৎস, বিশেষ করে ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে হবে।

জাসদ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে ‘কথার ফুলঝুরি’ উল্লেখ করে লক্ষ্যগুলোকে অবাস্তব ও কঠিন বলে মন্তব্য করেছে।

দেশে প্রস্তুত বিলাতি মদের ওপর লিটারপ্রতি ৫০০ টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

খেলাফত মজলিস প্রস্তাবিত ঋণনির্ভর বাজেটকে উচ্চাভিলাষী আখ্যা দিয়েছে। ঘাটতি পূরণে ঋণ নিতে হবে মন্তব্য করে তারা বাজেটের কিছু ইতিবাচক দিকও স্বীকার করেছে।

এদিকে দেশের অর্থনীতির বড় অংশ অপ্রাতিষ্ঠানিক। তাদের করের আওতায় আনতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানান রাজস্ব কর্মকর্তারা।

কয়েক বছর ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগের ধীরগতি, রাজস্ব ঘাটতি এবং ব্যাংকিং খাতের নানা চ্যালেঞ্জ অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে।