যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি স্থগিতের ঘোষণা ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক উত্তেজনা চলমান থাকার মধ্যে গতকাল শনিবার ইরান এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক উত্তেজনা চলমান থাকার মধ্যে গতকাল শনিবার ইরান এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।
মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাতিলের দাবি করেছে সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট।
ইরানের সঙ্গে এক পৃষ্ঠার সমঝোতা স্মারক সইয়ের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
চুক্তি কার্যকর হলে বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের যেসব পণ্যে শুল্কছাড় দিতে হবে, তাতে রাজস্ব আয় কমতে পারে প্রায় ৪১৯ কোটি টাকা।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির পথ খোলা রাখলেও কট্টরপন্থীদের শর্তে সমঝোতায় পৌঁছানো কঠিন হচ্ছে ইরানের।
হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ চলাকালীন ইরাক ও পাকিস্তান জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে তেহরানের সঙ্গে চুক্তি করেছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত পাঁচটি সূত্র রয়টার্সকে তথ্য দিয়েছে। ইরাকের দুটি তেলবাহী জাহাজ গত রোববার প্রণালী অতিক্রম করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল শুক্রবার বলেছেন, ইরান মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের মুখোমুখি না হয়ে বরং আলোচনার মাধ্যমে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চাইবে বলে তিনি আশা করছেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইরান চুক্তি না মানলে আবার হামলা হবে। লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ২৫৪ জন নিহত, ১ হাজার ১১০ জনের বেশি আহত। ইরান শান্তি আলোচনাকে অযৌক্তিক বলেছে।
আমার সামনে ৩২ পৃষ্ঠার যে দলিল আছে, তার শিরোনাম—‘অ্যাগ্রিমেন্ট বিটুইন দ্য ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা অ্যান্ড দ্য পিপলস রিপাবলিক অব বাংলাদেশ অন রেসিপ্রোক্যাল ট্রেড’, অর্থাৎ এটি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তির একটি দলিল।
‘এমন পদক্ষেপ লেবাননকে শত্রু ইসরায়েলের হাতের পুতুলে পরিণত করবে।’
ট্রাম্প বলেছেন, শেষ পর্যন্ত একটি চুক্তিতে আসা ছাড়া ইরানের সামনে ‘কোনো বিকল্প নেই’।
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এখনো দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য থেকে গেছে বলে মনে হচ্ছে।