শিক্ষাদানে মহানবীর অনন্য কৌশল: উপমা, চিত্র ও যুক্তিনির্ভর সংলাপ
তিনি অজ্ঞতার তীব্র নিন্দা করে বলেন, ‘তারা যখন সমাধান জানত না, তখন জিজ্ঞেস করে কেন জেনে নিল না? কারণ, অজ্ঞতার প্রতিষেধক হলো প্রশ্ন করা।’
তিনি অজ্ঞতার তীব্র নিন্দা করে বলেন, ‘তারা যখন সমাধান জানত না, তখন জিজ্ঞেস করে কেন জেনে নিল না? কারণ, অজ্ঞতার প্রতিষেধক হলো প্রশ্ন করা।’
শারীরিক শ্রম ও কষ্টসাধ্য অনেক ইবাদত থেকে ইসলাম প্রতিবন্ধীদের হয় সম্পূর্ণ অব্যাহতি দিয়েছে অথবা সহজ বিকল্প ব্যবস্থা রেখেছে। জুমা ও জামাতের বাধ্যবাধকতা থেকে প্রতিবন্ধীরা মুক্ত।
নবীজির শিক্ষাদানের একটি প্রধান মাধ্যম ছিল সরাসরি নিজে বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিক্ষা দেওয়া। তিনি যখন কোনো কাজের আদেশ দিতেন, তা প্রথমে নিজে করে দেখাতেন।
সুরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াতটিকে আয়াতুল কুরসি বলা হয়। এই আয়াতকে মহানবী (সা.) বলেছেন পবিত্র কোরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত।
এই সংবাদে ওমরের মন ভরে গেল আনন্দে। তাঁর মেয়ে শুধু পুনর্বিবাহের সুযোগই পেলেন না, বরং তিনি হয়ে গেলেন মুমিনদের জননী, ইসলামের যাকে বলে উম্মুল মুমিনিন।
ইসলামি দাওয়াতের ইতিহাসে হিজরতপূর্ব মদিনা ছিল একটি উর্বর ভূমি, যেখানে ইমানের বীজ বপন করা হয়েছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও প্রাতিষ্ঠানিক উপায়ে।
মুহাজির, আনসার এবং বনু হাশিম (নবীবংশের) সাহাবিদের তিনটি পৃথক দল ছিল মজলিশে। কথা প্রসঙ্গে বিতর্ক সৃষ্টি হলো, আমাদের মধ্যে কারা নবীজির সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ও প্রিয়পাত্র
সাফল্যের সব জাগতিক সিঁড়ি বেয়ে উপরে ওঠার পর মানুষের মনে একটিই প্রশ্ন জাগে—‘এরপর কী?’ শুধু বিত্ত-বৈভব বা সামাজিক প্রতিপত্তি মানুষকে প্রকৃত সুখ দিতে পারে না।
মক্কার তপ্ত বালু থেকে তায়েফের রক্তাক্ত প্রান্তর—সবখানেই তিনি ধৈর্য ও সংকল্পের মাধ্যমে জয়ী হয়েছেন। সফল হওয়ার জন্য তাঁর জীবনের ১০টি জীবনমুখী শিক্ষা তুলে ধরা হলো:
দেড় হাজার বছর আগে বিদায় হজে মানবাধিকারের যে সনদ মহানবী (সা.) ঘোষণা করেছিলেন, তা আধুনিক সময়ের যে-কোনো মতাবাদের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও কার্যকর।
জিলহজের ৪ তারিখ মক্কায় প্রবেশ করে নবীজি (সা.) তাওয়াফ ও সাঈ সম্পন্ন করেন। ৮ জিলহজ মিনায় এবং ৯ জিলহজ আরাফার ময়দানে তপ্ত রোদের নিচে দাঁড়ান।
যে মানুষটি তার পরিবারের কাছে সমাদৃত নয়, জগতের চোখে সে সফল হলেও দিনশেষে সে ব্যর্থ। মহানবী (সা.) শিখিয়েছেন কীভাবে কর্মব্যস্ত জীবনের মাঝেও পরিবারকে সময় দিতে হয়।