সুরাকা ইবনে মালিকের ঐতিহাসিক সফর
খলিফা ওমর (রা.) তাকে সামনে ডেকে আনলেন। পারস্য সম্রাটের সেই ভারী স্বর্ণের জামা, মাথায় রত্নখচিত মুকুট এবং হাতে কিসরার ঐতিহাসিক দুটি স্বর্ণবালা সুরাকাকে পরিয়ে দেওয়া হলো।
খলিফা ওমর (রা.) তাকে সামনে ডেকে আনলেন। পারস্য সম্রাটের সেই ভারী স্বর্ণের জামা, মাথায় রত্নখচিত মুকুট এবং হাতে কিসরার ঐতিহাসিক দুটি স্বর্ণবালা সুরাকাকে পরিয়ে দেওয়া হলো।
ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত। কৌতূহলোদ্দীপক বিষয় হলো, হিজরি বছরকে আমরা মহররম দিয়ে শুরু করলেও হিজরতের যাত্রা শুরু সফরের শেষভাগে।
জায়েদ নামের এক ইয়াহুদি পণ্ডিত ছিলেন। প্রচুর সম্পদ ছিল তাঁর। একপর্যায়ে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং নবীজির সঙ্গে অনেক যুদ্ধেও অংশ নেন।
সুন্দর পোশাক, কিছুটা আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য কিংবা পরিবারের প্রয়োজনীয় জিনিসের প্রত্যাশা করা কোনো অপরাধ নয়। নবীজির স্ত্রীরাও কিছু অতিরিক্ত ভরণপোষণের আবেদন করতেন।
একজন মুসলমান ব্যবসা, কৃষি, শিল্প কিংবা যেকোনো পেশা নিতে পারবে, কিন্তু কোনো অবস্থাতেই প্রতারণা, সুদ, ঘুষ, বা হারাম পন্থায় সম্পদ অর্জন করতে পারবে না।
বদর যুদ্ধের অন্যতম একটি বিস্ময়কর ও অলৌকিক দিক ছিল স্বপ্ন। যুদ্ধ শুরুর পূর্বমুহূর্তে এবং যুদ্ধ চলাকালীন মুসলিম ও মুশরিক উভয় শিবিরে বেশ কিছু তাৎপর্যপূর্ণ স্বপ্ন দেখা গিয়েছিল।
চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত যখন নিলেন, তাঁকে জানানো হলো, সমকালীন রাজন্যবর্গ সিলমোহর ছাড়া চিঠি গ্রহণ করেন না। ফলে তিনি রুপা দিয়ে একটি আংটি তৈরি করান।
আরবরা ছিল জন্মগতভাবে ভাষা ও সাহিত্যের অনুরাগী। তারা দাবি করত, বিশুদ্ধ ও সুন্দর করে কথা বলা শুধু তাদেরই অধিকার। অবশিষ্ট বিশ্ব তাদের কাছে ছিল ‘আজম’ বা বোবা।
মুসলমানদের সামনে একটাই পথ খোলা ছিল—নিজেদের আত্মরক্ষা এবং ধর্ম ইসলামের পবিত্রতা বজায় রাখার খাতিরে ধনসম্পদ ও আত্মীয়স্বজন ত্যাগ করে অন্য কোথাও চলে যাওয়া।
কোরআন ও হাদিসে বারবার তাকওয়া অর্জনের প্রতি উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। অন্তরে আল্লাহভীতি জাগ্রত করার জন্য ১০ উপায় বিশেষভাবে কার্যকর।
মানুষের ভুলের পথ যতই দীর্ঘ হোক না কেন, তার জন্য ফিরে আসার দরজা সব সময় খোলা। আর সেই ফিরে আসার নামই তওবা।
এই সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক পঙ্কিলতার মধ্যেও যাঁরা নিজেদের চরিত্র ও নৈতিকতা রক্ষা করতে পারেন, তাঁদের জন্য রয়েছে পরকালের পরম সুসংবাদ।