আওয়ামী লীগের ‘ক্ষোভের ভোটে’ জামায়াতের জয়, বিএনপির বিভক্তিও আলোচনায়
ফরিদপুর-১ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এর আগে আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো দলের প্রার্থীর জয়ের রেকর্ড ছিল না।
ফরিদপুর-১ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এর আগে আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো দলের প্রার্থীর জয়ের রেকর্ড ছিল না।
ফল ঘোষণার পর বিভিন্ন স্থানে বিজয়ী প্রার্থীদের কর্মী–সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ–উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে আছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্তত ৭৯ জন ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলটির অনুপস্থিতিতে এ আসনে এবার বিএনপি ও জামায়াতের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। জয় পেতে দুই দলই আওয়ামী লীগের ভোটের আশা করছে।
শরীয়তপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহে বাধা ও হেনস্তার অভিযোগের মধ্যে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। এ ঘটনা ঘিরে আইনজীবী ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।
আগে থেকেই ঠিক ছিল অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন। তারপরও নানা কৌশল করেছিল ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি।
সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনেই বিএনপির প্রার্থীদের পরাজিত করে জয় পেয়েছেন জামায়াতের প্রার্থীরা। এর মধ্যে দুটি আসনে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলেও বাকি দুটি আসনে কার্যত প্রতিযোগিতা গড়ে তুলতে পারেনি বিএনপি।
সিলেট বিভাগের ১৯টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৮টিতেই বিএনপির প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন।
চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে স্বতন্ত্র নির্বাচন করে জয় পাওয়া মো. আবদুল হান্নান ঘোষণা দিয়েছেন, ‘আমার প্রিয় রাজনৈতিক দল বিএনপি আমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ না করা পর্যন্ত আমি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেব না।’
মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনে বিএনপির প্রার্থী নাদিরা আক্তারের উঠান বৈঠকে উপস্থিত হয়েছেন দীর্ঘদিন পলাতক থাকা কার্যক্রম–নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের আলোচিত অন্তত ২০ জন নেতা-কর্মী।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
ময়মনসিংহের ১১টি আসনের মধ্যে আটটিতে বিএনপি এবং একটি করে আসনে জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস জয় পেয়েছে।