
শিশুপ্রহরে বই, পুতুল, বায়োস্কোপে মুগ্ধ শিশুরা
অমর একুশে বইমেলার আজ ছিল পঞ্চম শিশুপ্রহর।

অমর একুশে বইমেলার আজ ছিল পঞ্চম শিশুপ্রহর।

মেলার এই শেষ সময়ে যাঁরা নিয়মিত বই কেনেন, এমন পাঠক যেমন আসেন, তেমনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও আসে তাদের প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন বই কিনতে।

কাবিননামায় দেনমোহরের জায়গায় ১০১টি বই লিখতে অপারগতা জানিয়েছিলেন কাজি। পরে বইয়ের সংখ্যা উল্লেখ করে মূল্য বাবদ একটি অর্থ ধরা হয়।

মেলায় অনেক বই এলেও মান নিয়ে অসন্তুষ্টির কথা বললেন এবার গবেষণা সাহিত্যে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পাওয়া গবেষক ও প্রাবন্ধিক ইসরাইল খান।

এবার মেলায় দ্বিতীয় দিনের মতো এসেছিলেন ব্যবসায়ী জুবায়ের ইউসুফ। থাকেন উত্তরায়। মেট্রোরেলের কল্যাণে বইমেলায় আসা এখন অনেক সহজ।

কয়েক বছর ধরে বইমেলা মানে ছিল বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী এলাকায় যানবাহনের জট আর ভিড়ের চাপ।

বইমেলায় শিশুপ্রহরে পাপেট শো, বায়োস্কোপ আর বইয়ের রাজ্যে শিশুদের মুগ্ধতা ও উচ্ছ্বাস।

আজ শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে মেলা শুরু হবে শিশুপ্রহর দিয়ে। বেলা ১টা পর্যন্ত শিশুপ্রহর। এর পর থেকে মেলা টানা রাত নয়টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

বাংলা একাডেমির তথ্যকেন্দ্রের দেওয়া হিসাবে গতকাল মেলায় নতুন বই এসেছে ৬৫টি। নিয়মিতভাবে মেলার তথ্যকেন্দ্র থেকে নতুন বইয়ের প্রচার করা হচ্ছে।

বিভিন্ন স্টলের বিক্রেতারা জানালেন, আগের দিন শনিবারে লোকসমাগম বেশ ভালোই ছিল। ঐতিহ্যর ব্যবস্থাপক আমজাদ হোসেন বললেন, তাঁদের স্টলে অনেক নতুন বই এসেছে।

সুপ্রভার মতো মেলায় এসেছে ইবাদ, ইজান, মারিয়াম, সাদ, সুমাইয়াসহ অনেকে। শিশুরা আশ্রয় নিয়েছে পাপেট শোর মঞ্চের পাশের খেজুরগাছের ছায়ায়।

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন ৯ জন