
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে বিজেপি যে কৌশলে ‘বাংলাদেশ কার্ড’ খেলেছে
দেশভাগ, ভাষা, অভিবাসন, নদী, শ্রম, আত্মীয়তা, স্মৃতি ও শোক—এই সবকিছুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বরাবরই পশ্চিমবঙ্গের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

দেশভাগ, ভাষা, অভিবাসন, নদী, শ্রম, আত্মীয়তা, স্মৃতি ও শোক—এই সবকিছুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বরাবরই পশ্চিমবঙ্গের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল আর এন রবি সংবিধানের ক্ষমতা ব্যবহার করে বিধানসভা ভেঙে দিয়েছেন, কারণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পদত্যাগ করেননি। একইসঙ্গে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে হত্যার ঘটনায় তদন্ত চলছে। পুলিশ মোটরবাইক উদ্ধার করেছে এবং বিশেষ দল গঠন করেছে।

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর রাজ্যজুড়ে সহিংসতা ছড়িয়েছে। সর্বশেষ ৪৮ ঘণ্টায় ২০০টি এফআইআর দায়ের এবং ৪৩৩ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। পুলিশ আরও ১১০০ জনকে আটক করেছে।

পশ্চিমবঙ্গে ৪ মে নির্বাচন ফলাফলের পর সহিংসতায় ৪৮ ঘণ্টায় ২০০ এফআইআর, ৪৩৩ গ্রেপ্তার ও ১১০০ আটক। দুজন নিহত, বিজেপি নেতার সহকারীকে গুলি হত্যা। পুলিশ কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিজয় উদ্যাপনের অংশ হিসেবে পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গভীর শ্রদ্ধায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে স্মরণ করেন। পশ্চিমবঙ্গকে শ্যামাপ্রসাদের মাটি হিসেবে তিনি চিহ্নিত করেন।

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার রবীন্দ্রজয়ন্তীতে শপথ নেবে। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে শুভেন্দু অধিকারী এগিয়ে রয়েছেন।

ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার বিরোধিতায় তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাঙালি জাত্যভিমানে বাতাস দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটে জিততে চেয়েছিলেন।

বিজেপি ২০৬টিতে হয় জয়ী ঘোষিত, নয়তো এগিয়ে রয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের এমন আসনসংখ্যা ৮১

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গতকাল গণনা করা হয়। ফলাফল অনুযায়ী, বিজেপি ২০৬ আসনে জয়ী। তৃণমূল জয়ী ৮১ আসনে।

নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও মন্ত্রী পরাজিত হয়েছেন

বাংলাদেশের পাশে ভারতের রাজ্য ত্রিপুরা ও আসামে বিজেপি ক্ষমতায়, মেঘালয়েও তাদের জোট। এবার পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপির শাসন।

বিজেপির অভ্যন্তরীণ সূত্র জয়ের পেছনে পাঁচটি প্রধান কারণ দেখিয়েছে।