মানুষ হাসে কেন
মানুষে কেন যে কাঁদে, তা আমরা সবাই জানি, কিন্তু মানুষে কেন হাসে, সেটা আমরা কেউ জানি না! এটা যে এক অদ্ভুত রহস্য—তা এই একুশ শতকেও অনাবিষ্কৃত—দর্শনে ও বিজ্ঞানে!
মানুষে কেন যে কাঁদে, তা আমরা সবাই জানি, কিন্তু মানুষে কেন হাসে, সেটা আমরা কেউ জানি না! এটা যে এক অদ্ভুত রহস্য—তা এই একুশ শতকেও অনাবিষ্কৃত—দর্শনে ও বিজ্ঞানে!
সাদাত হাসান মান্টো উর্দু সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গল্পকার। দেশভাগের রক্তাক্ত বাস্তবতা, দাঙ্গার উন্মাদনা, নারীর অসহায়তা, যৌনকর্মীদের বঞ্চিত জীবন, মানুষের ভেতরের নিষ্ঠুরতা এবং সমাজের প্রান্তিক মানুষের দুঃখ—এসব অন্ধকার বাস্তবতাকে তিনি কোনো ভণিতা বা রাখঢাক ছাড়াই সাহিত্যে তুলে এনেছেন।
রবীন্দ্রনাথের ইসলাম-ভাবনা কেবল সংগীত বা কাব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। বিভিন্ন সময়ে তিনি ইসলাম ও মহানবী সম্পর্কে স্পষ্ট ও শ্রদ্ধাশীল বক্তব্য রেখেছেন। ১৯৩৩ সালে ‘পয়গম্বর দিবস’-এর একটি অনুষ্ঠানে তাঁর লেখা একটি বাণী পাঠ করেছিলেন সরোজিনী নাইডু। সেখানে রবীন্দ্রনাথ বলেন, পৃথিবীর মহান ধর্মগুলোর অন্যতম ইসলাম এবং তার অনুসারীদের দায়িত্বও তাই গভীর।
ফারসি ও হিন্দি ভাষা ও ‘রেখতা’ শৈলীর কাব্যে সুশিক্ষিত কবি জাফর জাতাল্লি তাঁর কবিতায় মোগলশাহির ক্রমক্ষয়িষ্ণু চরিত্রের সুতীব্র সমালোচনা করেছেন। নির্ভীক, ক্রুদ্ধ, প্রতিবাদমুখরভাবে তিনি লিখে গেছেন
আসলে তাঁর উন্নয়ন-চিন্তাধারায় রবীন্দ্রনাথ সমাজ ও রাষ্ট্রের মধ্যে যে পার্থক্য করেছিলেন, উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে রাষ্ট্র-নিরপেক্ষ করে যেভাবে সমাজনির্ভর করতে চেয়েছিলেন এ শতাব্দীর আন্তর্জাতিক, রাষ্ট্রীয় ও সমাজকাঠামোয় তা বাস্তবসম্মত নয়।
কবিতায় প্রতিভাত হয়ে ওঠে সেসব মুখ, যারা ইতিহাস গড়ে, অথচ ইতিহাসে প্রায়ই অনুল্লিখিত থেকে যায়। মহান মে দিবসের প্রেক্ষাপটে এ রচনা
১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে জন ডিগবি রংপুরের কালেক্টর নিযুক্ত হলে রামমোহনও তাঁর সঙ্গে আসেন এবং ১৮১৪ সাল পর্যন্ত রংপুরে অবস্থান করেন।
র্যাঁবো পড়ার আগের ও পরের মানুষ একেবারেই আলাদা। বিশেষ করে নরকে এক ঋতু পড়ার পর কবিতাকে মনে হবে গমগমে কোনো আগুনে অনুভূতি, যা আপনার শরীরের মাংসের স্তর ভেদ করে পৌঁছে যায় অনেক দূর পর্যন্ত।
রঘু রাইয়ের কাজের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো ‘সাক্ষী’ হয়ে থাকার মানসিকতা। তাঁর কাছে তিনি নিজে দৃশ্যের নির্মাতা নন; বরং একজন নীরব পর্যবেক্ষক, যিনি ভাগ্যক্রমে জীবনের স্পন্দনটুকু ধারণ করতে পারেন।
কাজেই আমরা বেলা তারের ছবির পরিস্থিতিটাকে বদলে ফেলে নিৎশের তুরিন নাটক নিয়ে ভাবতে পারি। ধরা যাক, মানুষের জীবনে ছবির ওই নিরবচ্ছিন্ন তুষারঝড় নেই, কুয়ার পানি শুকিয়ে যায়নি, আলো নেভেনি কিংবা লন্ঠনের তেলও শেষ হয়ে যায়নি।
বাউলদের অন্তর্গত সত্য অনুসন্ধানের ধারণা—যেখানে ঈশ্বরকে খুঁজে পাওয়া যায় ‘দেহ-অন্তরে’, যেখানে প্রেম মানে আত্মিক সংযোগ এবং যেখানে সামাজিক শ্রেণি, লিঙ্গ বা ধর্মীয় পরিচয় কোনোটিই মানুষকে আলাদা করার ভিত্তি নয়—শরিয়তপন্থী দৃষ্টিভঙ্গির চোখে সামাজিক নিয়ন্ত্রণ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি করে।
নতুনকে আবাহন করার জন্য আমরা এখানে সমবেত হয়েছি। নববর্ষের বাণী নতুনকে সাদর সম্ভাষণ জ্ঞাপনের বাণী। আমি তরুণদের জীবনের কর্মপথে বলিষ্ঠ পদক্ষেপে অগ্রসর হওয়ার জন্য আবেদন জানাচ্ছি।