মোনাজাতে জিয়াউর রহমানের নাম না নেওয়ায় হট্টগোল, আবার হলো মোনাজাত
কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ভাষাশহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মোনাজাতে জিয়াউর রহমানের নাম উচ্চারণ না করায় হট্টগোল ও বাগ্বিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে।
কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ভাষাশহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মোনাজাতে জিয়াউর রহমানের নাম উচ্চারণ না করায় হট্টগোল ও বাগ্বিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে।
বিনয় মানুষকে ছোট করে না; বরং আল্লাহর কাছে মর্যাদাবান ও মানুষের কাছেও প্রিয় করে তোলে। বিনয়ী চরিত্র গঠন করতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন।
জীবনের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তে মানুষ বর্তমানের কষ্ট ছাড়া আর কিছুই দেখতে পায় না। মনে হয়, মৃত্যুই বুঝি সব যন্ত্রণার অবসান। অথচ মানুষের জ্ঞান সীমিত।
আধুনিক যুগে অভ্যাসে পরিণত হওয়া অনিয়মিত রাত জাগার প্রবণতা মানুষের ভোরের ইবাদত বিনষ্ট করে এবং শারীরিক ভারসাম্য নষ্ট করে, যা নবীজির শিক্ষার পরিপন্থী।
বিপদ–মুসিবত এলে, যখন বাহ্যিকভাবে মুক্তির কোনো উপায় চোখে পড়ে না। তখন স্বাভাবিকভাবেই আমাদের মনে প্রশ্ন জাগে, আল্লাহ কি আমার ওপর অসন্তুষ্ট?
নবী ইউনুসের কথা ভাবুন। গভীর সমুদ্রের অন্ধকার, রাতের অন্ধকার, মাছের পেটে দমবন্ধ অবস্থা, তিন স্তরের ঘুটঘুটে অন্ধকার। এখান থেকে বের হওয়া মানবীয় দৃষ্টিতে অসম্ভব।
বিপদের সময় একজন মুমিনের করণীয় কী হওয়া উচিত, সে বিষয়ে কোরআন-সুন্নাহ জীবনঘনিষ্ঠ দিকনির্দেশনা দিয়েছে।
অনেকেই প্রতিদিন নামাজে বা অন্য প্রয়োজনে মসজিদে যাতায়াত করি, কিন্তু এর আদব ও সুন্নাহ পালনে যথেষ্ট সচেতন নই। এই ছোট ছোট সুন্নাহ মসজিদে প্রবেশকে করে তোলে বরকতময়।
ফাতিমার আবদারের উত্তরে রাসুল (সা.) বলেছিলেন, ‘আমি কি তোমাদের এমন একটি বিষয় বলব না, যা তোমাদের জন্য একজন খাদেম বা সাহায্যকারীর চেয়েও অনেক উত্তম?’
জীবনের নিশ্চয়তা না থাকলেও একটি বিষয়ের নিশ্চয়তা আছে—দয়াময় আল্লাহ আমাদের জন্য তওবার দরজা খোলা রেখেছেন, যা প্রাণ কণ্ঠে পৌঁছে যাওয়ার আগপর্যন্ত বন্ধ হয় না।
কিছু দুঃখ আছে যা সবাইকে বলা যায় না; আবার কিছু ব্যথা ভাষায় প্রকাশ করাও কঠিন। এ সময় মানুষ এমন কাউকে খোঁজে, যার কাছে নির্ভয়ে সব বলা যায়।
বৃষ্টি নামলেই অনেক মানুষ বিরক্ত হয়। কেউ যানজটের কথা ভাবে, কেউ কাদা-পানির ঝামেলায় অসন্তুষ্ট হয়। অথচ একজন সচেতন মুমিনের দৃষ্টিভঙ্গি হওয়া উচিত ভিন্ন।