
এলপিজিসহ জ্বালানির দাম মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে: সংসদে আখতার হোসেন
রাতারাতি জ্বালানি তেল ও এলপিজি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করায় জীবন-জীবিকায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

রাতারাতি জ্বালানি তেল ও এলপিজি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করায় জীবন-জীবিকায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে ফিলিং স্টেশন থেকে তেল পেতে দেড় মাসের বেশি সময় ধরে চলা ভোগান্তির অবসান হবে বলে আশা করেছিলেন অনেকে।

জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে ছাত্র ফেডারেশন।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে ‘মূল্যস্ফীতি সেভাবে বৃদ্ধি পাবে না’ বলে দাবি করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী আবদুল মুক্তাদির।

আগে যেখানে রাজশাহী থেকে একটি ট্রাক ঢাকায় যেতে ভাড়া লাগত ২০ থেকে ২১ হাজার টাকা, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ থেকে ২৫ হাজার টাকা।

ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির পর বাস-মিনিবাসের ভাড়া ব্যাপকভাবে বাড়ানোর চাপ দিচ্ছেন পরিবহনমালিকেরা। শুধু জ্বালানির দাম নয়, পরিবহনে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশসহ অন্যান্য ব্যয় বেড়েছে দাবি করে তা যুক্ত করে নতুন ভাড়ার হার নির্ধারণের দাবি করছেন তাঁরা। তবে পরিবহনমালিকদের দাবি মেনে গণপরিবহনে ভাড়া বৃদ্ধি করা কতটা যৌক্তিক, সে প্রশ্ন উঠেছে।

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ থানাধীন হাশমিক্যাল এলাকার সেনা ফিলিং স্টেশনে গতকাল রোববার সকাল ১০টার দিকে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন মোটরসাইকেলচালক মোহাম্মদ জাকির হোসেন।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বাস–মিনিবাসের ভাড়া পুনর্নির্ধারণে বৈঠক হয়েছে।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়লো

নতুন দর অনুযায়ী প্রতি লিটার ডিজেল নির্ধারণ করা হয়েছে ১১৫ টাকা, অকটেন ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৩০ টাকা।

নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা।

হরমুজ প্রণালীতে চলমান অবরোধ বিশ্ব অর্থনীতিকে এক গভীর সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ এলএনজি এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় এর অচলাবস্থা সরাসরি জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করছে। তেলের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরবরাহ চেইনে ব্যাঘাত বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে তুলছে। এর পাশাপাশি আধুনিক যুদ্ধ কৌশলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ড্রোন প্রযুক্তি এবং অ্যালগরিদম-নির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এই সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি শুধু সামরিক সংঘাত নয়, বরং অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত আধিপত্যের লড়াই। হরমুজ সংকট দীর্ঘায়িত হলে খাদ্য নিরাপত্তা, শিল্প উৎপাদন এবং বৈশ্বিক বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। ফলে এই সংকটের দ্রুত সমাধান এখন শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে।