
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল আবার হামলা করলে যেভাবে পাল্টা আঘাত হানতে পারে ইরান
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা করলে ইরান কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা করলে ইরান কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে।

ইতিহাসে বহুবার দেখা গেছে, বড় যুদ্ধ শুধু মানচিত্র বদলায় না, যুদ্ধের ধরনও পাল্টে দেয়। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো দেখিয়ে দিচ্ছে, আমরা হয়তো এমন এক নতুন যুগে ঢুকে পড়েছি, যেখানে যুদ্ধের পুরোনো নিয়ম আর খাটছে না।

ইরাকের মরুভূমিতে প্রাণঘাতী এই হামলা নিয়ে আগে কখনো কোথাও খবর প্রকাশ পায়নি

যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল নতুন করে ইরানে হামলা শুরু করতে পারে। এ আশঙ্কা থেকে ইরানের জনগণকে অস্ত্রে হাতে তোলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সরকার।

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা ও লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল।

আমিরাত হামলার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে কোনো দেশকে দায়ী করেনি।

সৌদি আরব ও আমিরাত—দুই দেশের কাছেই এ অঞ্চলের সবচেয়ে আধুনিক এবং সুসজ্জিত বিমান বাহিনী রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা শুরু করার পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে ইরান।

ইসরায়েল গাজায় হামাসের সামরিক প্রধানকে হত্যার দাবি করেছে। হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩ জন নিহত হয়েছেন।

উপসাগরীয় অঞ্চলে পর্দার আড়ালে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন সামরিক পদক্ষেপেরই অংশ ছিল এ বিমান হামলাগুলো।

মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন বলছে, হামলা সত্ত্বেও ইরানের ৯০% ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি সচল এবং ৭০% মজুত অক্ষত। চলতি মে মাসের শুরুতে তৈরি এ প্রতিবেদন নিউইয়র্ক টাইমস প্রকাশ করেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবির বিপরীতে ইরান পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

শিরিন আবু আকলেহর হত্যার চার বছর পার হয়েছে, কিন্তু বিচার হয়নি। অধিকারকর্মীরা বলছেন, এই দায়মুক্তি ইসরায়েলকে সাংবাদিকদের ওপর হামলা বাড়াতে উৎসাহিত করেছে। গাজা, লেবানন ও পশ্চিম তীরে শত শত সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।