খামেনির জানাজায় শত্রুদের প্রতিরোধ আর ট্রাম্পকে হত্যার ডাক
তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় খামেনির জানাজাকে কেন্দ্র করে এক রাজনৈতিক আবহের সৃষ্টি হয়।
তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় খামেনির জানাজাকে কেন্দ্র করে এক রাজনৈতিক আবহের সৃষ্টি হয়।
শেষবিদায়–সংক্রান্ত আয়োজনের আনুষ্ঠানিক স্লোগান, ‘আমাদের উঠে দাঁড়াতে হবে’।
কালো কাপড়ে মোড়া একটি কফিন ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছে তেহরানের রাস্তায়। বিলম্বিত গ্রীষ্মের গরমে লাখো মানুষের ভিড়।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সেখানে রাখা শোক বইয়ে সই করেন।
টানা সাত দিন ধরে ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।
৯ জুলাই মাশহাদে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে দাফন করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনে নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফনপ্রক্রিয়া মহররমের প্রথম ১০ দিনের (আশুরা) পর অনুষ্ঠিত হবে।
বিস্ময়ের কথা, ইরানের এ সাবেক প্রেসিডেন্ট তাঁর চরম কট্টরপন্থী, ইসরায়েলবিরোধী ও যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত।
বাবার হত্যাকাণ্ডের পর নিরাপত্তা শঙ্কাও মোজতবার নীরব থাকার সম্ভাব্য কারণ হতে পারে
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) মোজতবা খামেনিকে অভিনন্দন জানিয়েছে। বাহিনীটি তাঁকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
যুদ্ধে বহুল ব্যবহৃত একটি কৌশল হলো শত্রুপক্ষের নেতৃত্বকে সরিয়ে দেওয়া। কখনো কখনো এই কৌশল কার্যকর হতে পারে।
হামলার উদ্দেশ্য ছিল ‘ইরান থেকে আসন্ন হুমকি মুক্ত করে মার্কিন জনগণকে রক্ষা করা।’ তবে হামলার আগে ইরান সশস্ত্র আক্রমণ শুরু করার দ্বারপ্রান্তে ছিল।