আমরা আর্জেন্টাইনরা কষ্ট সহ্য করতে জানি, বলছেন ম্যাক অ্যালিস্টার
এরপর ছিল আমাদের কষ্ট পাওয়ার পালা। গণমাধ্যমগুলো রীতিমতো ধুয়ে দিয়েছিল। চাপটা সবাই টের পাচ্ছিলাম।
এরপর ছিল আমাদের কষ্ট পাওয়ার পালা। গণমাধ্যমগুলো রীতিমতো ধুয়ে দিয়েছিল। চাপটা সবাই টের পাচ্ছিলাম।
সিরাতচর্চা কোনো মৃত ইতিহাস নয়, আমরা যদি একে তথ্যের খতিয়ান আর যুদ্ধের ইতিহাসের ফ্রেমে বন্দি রাখি, তা আবেগ জোগাবে ঠিকই, কিন্তু চরিত্র বদলাতে পারবে না।
সাধারণত ৩ বছর থেকে বয়ঃসন্ধির আগপর্যন্ত শিশু বছরে গড়ে ২ ইঞ্চি বা ৫ সেন্টিমিটার করে লম্বা হয়। কিন্তু সব সময় এই হিসাব যে মিলবে, তা–ও নয়।
পোস্ট-ট্রুথের বিপরীতে সবচেয়ে বড় অস্ত্র হতে পারে ‘সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি’—কুন্দেরা যাকে বলছেন ‘প্রশ্নপ্রবণ চেতনা’ বা জিজ্ঞাসু দৃষ্টিভঙ্গি। অনেকে মনে করেন ‘সেন্সরশিপ’ সমাধান। কিন্তু সেন্সরশিপের নীতিমালা তৈরি করবে বা বাস্তবায়ন করবে যে পক্ষ তাকেও আমরা আর বিশ্বাস করতে পারি না। ফলে ‘সেন্সরশিপ’ আরোপ করে সমালোচনার পথ বন্ধ করার প্রচেষ্টা হিতে বিপরীত হয়ে যায়—সমাজে সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তির চর্চার ক্ষেত্র আরও সংকুচিত হয়ে আসে। একটি দেশের গণতন্ত্র তখনই শক্তিশালী হয়, যখন মানুষ যুক্তি দিয়ে মতভেদ করতে শেখে; বিদ্বেষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে না। এই সত্য-উত্তর বাস্তবতায় আমাদের রক্ষাকবচ হতে পারে দেশের সহিষ্ণু, চিন্তাশীল নাগরিক।
আমির খানের বিয়ে: কে এই গৌরী স্প্র্যাট?
ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দুই পাশের ময়লা-আবর্জনা অপসারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ৩০ দিনের সময়।
আজ রোববার দুপুরে মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় নিজ বাড়িতে প্রেমিকা গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করেন আমির খান। অনুষ্ঠিত হয়েছে একেবারে ঘরোয়া এই বিয়ের অনুষ্ঠান।
১৯৬০-৬১-তে দ্বিতীয় বর্ষে পড়ি। দিনক্ষণ মনে নেই। একদিন সকালে অধ্যক্ষ জয়নুল আবেদিন এবং জ্যেষ্ঠ শিক্ষক আনোয়ারুল হক ক্লাসে এলেন।
আর মাত্র এক দিনের অপেক্ষা। আগামীকাল ৫ জুলাই দীর্ঘদিনের সঙ্গী গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করতে চলেছেন বলিউড অভিনেতা আমির খান।
এসওএফআরভিত্তিক সুদহার পরিবর্তনের ঝুঁকি কমাতে নতুন ব্যবস্থা চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক; ইউজেন্স আমদানিতে মিলবে আগাম সুরক্ষা।
১৯৯৪ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ। জুলাই মাসের এক ভোর। টাইব্রেকারের শেষ শটটি জালে জড়াতেই হৃদপুর বন্দরের রাস্তায় নেমেছিল ব্রাজিল ফুটবল উৎসব। মিছিলটা বেরিয়েছিল তৈবরদার বাড়ির সামনে থেকে। সামনে তবারক কাকু। পরনে ক্যানারি হলুদ জার্সি। হাঁটু পর্যন্ত হাফপ্যান্ট। পায়ে ফুটবল বুট। দুই হাতে বুকের কাছে আগলে রাখা একটি ফুটবল। দেখে মনে হচ্ছিল, বিশ্বকাপটা রোমারিও নয়, তিনিই জিতে ফিরেছেন।
বিচারপতি পালের রায়ের তাৎক্ষণিক প্রভাব আদালতে সীমিত হলেও দীর্ঘ মেয়াদে এর প্রতিক্রিয়া ছিল সুদূরপ্রসারী। ১৯৫২—১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তিনি জাতিসংঘের ‘ইন্টারন্যাশনাল ল কমিশন’-এর সদস্য নির্বাচিত হন। তাঁর রায়ই প্রথমবারের মতো বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছিল—যুদ্ধাপরাধের বিচারে একটি স্থায়ী, নিরপেক্ষ ও সুসংগত আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামো দরকার। এই উপলব্ধি থেকেই পরবর্তীকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) ধারণা বিকশিত হয়।