
আবেগ নয়, ক্রিকেট ভবিষ্যৎ ভাবুন: তামিম
আবেগ নয়, ক্রিকেট ভবিষ্যৎ ভাবুন: তামিম

আবেগ নয়, ক্রিকেট ভবিষ্যৎ ভাবুন: তামিম

তবে গত বিশ্বকাপে ওই একবারই স্কালোনিকে একটু আবেগপ্রবণ হতে দেখা গিয়েছিল। কিন্তু এবারের বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই তাঁকে কাঁদতে দেখা গেছে।

ভোজিনিয়া আবেগজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার মা এখানে আসতে পারেননি ভিসার কারণে। ভিসার খরচের টাকা আমরা সময়মতো জোগাড় করতে পারিনি।

বিশ্বকাপ ফুটবল শুধু ক্রীড়া নয়, এটি কোটি মানুষের আবেগের উৎসব। বিশ্বকাপের প্রকৃত শিক্ষা হলো স্পোর্টসম্যানশিপ ও সম্প্রীতি।

চলচ্চিত্রে নারীর অবস্থান ঐতিহাসিকভাবে সব সময়ই জটিল ছিল। চলচ্চিত্রমাধ্যম নারীর শরীর, সৌন্দর্য, যৌনতা এবং আবেগগত শ্রমের ওপর গভীরভাবে নির্ভরশীল। দর্শক টানার জন্য চলচ্চিত্র বরাবরই নারীদের ব্যবহার করেছে। অথচ একই সঙ্গে চলচ্চিত্র নিজেদের প্রতিনিধিত্বের ওপর কর্তৃত্ব থেকেও নারীদের বঞ্চিত করেছে।

সঞ্জয় তাঁর জ্যাকেটের দিকে ইঙ্গিত করে বিশেষ নকশাগুলো তুলে ধরেন। যেন বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে বলছিলেন, ‘এটাই আমার বাংলাদেশ।’ কোটি বাংলাদেশির কাছে মুহূর্তটি ছিল আবেগের ও গর্বের।

ফেসবুকে স্বামীকে নিয়ে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে দীপ্তি লিখেছেন, ‘যাকে না পাওয়া ছিল একমাত্র আফসোস, আল্লাহ তাঁকে জীবনসঙ্গী হিসেবে উপহার দিয়েছেন। আল্লাহ মহান!’

নানা প্রজন্মের কিংবদন্তি শিল্পীদের অমর সৃষ্টিগুলো নিজের কণ্ঠে পরিবেশন করে শেখ রায়হান আনোয়ার সৃষ্টি করেন এক আবেগঘন ও অতীতাকুল পরিবেশ।

কেউ নিরাপত্তার কারণে, কেউ আবার সম্পর্কের আবেগঘন মুহূর্তটিকে নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার জন্য গোপন বিয়ের পথ বেছে নেন।

হজ থেকে ফিরে আসার কয়েক মাস পরই সেই আবেগ ও পরিবর্তনের দীপ্তি ম্লান হয়ে যায়। হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন ধরে রাখতে কয়েকটি কাজ করা যেতে পারে।

সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বিয়ের আরও কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন দীপ্তি। ছবিগুলোতে নবদম্পতিকে হাস্যোজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত মুহূর্তে দেখা যায়। ছবির ক্যাপশনে স্বামীকে ‘মাস্টার সাহেব’ সম্বোধন করে লেখা তাঁর আবেগঘন বার্তাটি দ্রুতই নজর কাড়ে নেটিজেনদের।

মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের মানুষের পক্ষে অ্যালেন গিন্সবার্গ লিখেছিলেন তাঁর কিংবদন্তি কবিতা ‘সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড’। এ জন্য বাংলাদেশের হৃদয়ে তাঁর জন্য একটি বিশেষ আবেগ রয়েছে।